ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

বেকারদের প্রশিক্ষিত করা গেলে অবৈধ অভিবাসন রোধ সম্ভব

প্রকাশিত: ০২:০১ পিএম, ২৫ মে ২০১৭

অধিকাংশ পরিবারের অকর্ম তরুণটি প্রবাসে শ্রমিক হিসেবে যায়। বিত্তশালীদের পাশাপাশি দরিদ্র পরিবারের তরুণটির কামনাও তাকে একই। তাদের সেই কামনাটাকে কাজে লাগায় সুযোগ সন্ধানীরা।

অপ্রশিক্ষিত এসব তরুণদের প্রলোভনে ফেলে অবৈধ অভিবাসী হিসেবে বিদেশে পাঠায় অনেক দালাল। ফলে কিছু অবৈধগামী সুবিধায় পড়লেও সিংহভাগই বিপদের সম্মুখীন হন।

এমন ২ হাজার ৮৫৩ জনকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। তারাসহ দেশের বেকারদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মঠ করে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরের কাজ চলছে। কারণ অভিবাসীরা বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে দেশের সম্পদ। তবে, বৈধ পথে নিরাপদ অভিবাসনই সবার কাম্য।

বৃহস্পতিবার কক্সবাজার জেলার অভিবাসীদের স্থানান্তরের কারণ অনুসন্ধানমূলক দিনব্যাপী কর্মশালায় এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

কর্মশালার গ্রুপ আলোচনায় ওঠে আসে ১৮ থেকে ৪০ বছর বয়সী অসচ্ছল ও স্বল্পশিক্ষিত পুরুষরাই অভিবাসনে সম্মত হয়। জীবন মান উন্নয়নের স্বপ্নে সাধারণ উন্নত ও অর্থনৈতিক স্বাবলম্বী দেশেই বেশির ভাগ মানুষ যেয়ে থাকে। অবৈধ পথে নয়, নিরাপদ তথা আইনসিদ্ধভাবে বিদেশগামীরাই সরকারের শতভাগ পৃষ্ঠপোষকতা পেয়ে থাকে।

আন্তর্জাতিক অভিভাসন সংস্থা- আইওএম’র সহযোগিতায় কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো. সাইফুল ইসলাম মজুমদার।

স্বাগত বক্তৃতা ও মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরের মাধ্যমে অভিবাসন বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য উপস্থাপন করেন আইওএ’র ন্যাশনাল প্রোগ্রাম অফিসার লুৎফুল কবির।

তিনি জানান, অবৈধ পথে বিদেশ যাওয়া কোনোভাবেই সুখকর নয়। অবৈধ বিদেশগামীদের কারণে সরকারকে বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হয়। এ সময় তিনি অভিবাসনের ওপর একটি প্রতিবেদন তুলে ধরেন।

জেলা অভিবাসন ও জনশক্তি অফিসের সহকারী পরিচালক (এডি) রমিয়ন কান্তি দাশের সভাপতিত্বে আলোচনা করেন ইপসার পরিচালক মাহবুবুর রহমান, জেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা প্রিতম কুমার চৌধুরী, ইপসার টিম লিডার খালেদা বেগম, প্রোগ্রাম ম্যানেজার জসিম উদ্দিন, কোঅর্ডিনেটর ওমর ছাদেক, প্রোগ্রাম ম্যানেজার জিসু বড়ুয়া ও বাংলাদেশ মহিলা আইনজীবী সমিতির কোঅর্ডিনেটর এম. এরশাদুজ্জামান, এনটিভি প্রতিনিধি ইকরাম চৌধুরী টিপু, যুগান্তর ও জাগোনিউজ প্রতিনিধি সায়ীদ আলমগীর প্রমুখ।

সায়ীদ আলমগীর/এএম/আরআইপি