ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

সরকারি চেম্বারে বসে টাকা নিয়ে রোগী দেখার অভিযোগ

জেলা প্রতিনিধি | নওগাঁ | প্রকাশিত: ১২:১৯ পিএম, ৩১ মে ২০১৭

নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার মাটিন্দর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে কর্মরত উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার ডা. আব্দুল মজিদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এসব বিষয়ে স্থানীয় এলাকাবাসী উপ-পরিচালক পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। এছাড়া নওগাঁ সিভিল সার্জনসহ বিভিন্ন বিভিন্ন দফতরে অনুলিপি প্রেরণ করা হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অফিস চলাকালীন সময় ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে সরকারি চেম্বারে বসে রোগী দেখার সময় ২০০ টাকা পরামর্শ ফি নিয়ে থাকেন। রোগীরা ফি না দিতে চাইলে তাদের সঙ্গে অসৈজন্যমূলক আচরণ করেন।

এছাড়া সরকার থেকে বরাদ্দকৃত ওষুধ গত তিন বছর থেকে এলাকার গরীব রোগীদের না দিয়ে বাজারে বিক্রি করেন তিনি। স্বাস্থ্য কেন্দ্রের বেডে কোন রোগী ২/৩ দিন থাকলে ওষুধসহ বেডের ভাড়া নিয়ে থাকেন। তিনি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জড়িত থাকায় কোনো নিয়মনীতিকে তোয়াক্কা না করে যা ইচ্ছে তা করে চলছেন।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে যায়, এলাকাবাসী ওই ডাক্তারের বিরুদ্ধে হাজারো অভিযোগ নিয়ে স্বাস্থ্যকেন্দ্রের চত্বরে অপেক্ষা করছিলেন। কথা বলার একপর্যায়ে ডাক্তারের বিরুদ্ধে জমে থাকা দীর্ঘদিনের ক্ষোভ প্রকাশ করেন। ভুক্তভোগী কয়েক জনের সঙ্গে কথা বলে অনেক ডাক্তারের বিরুদ্ধে অনেক বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির কথা।

ভুক্তভোগী আব্দুল গফুর, মিলন, আছিয়া বেগম, নুর ইসলাম, উজ্জল, মান্নান ও বয়জৈষ্ঠ্য মনছের আলীসহ বেশ কয়েকজন বলেন, অফিস চলাকালীন সময় ডা. আব্দুল মজিদ রোগীদের কাছ থেকে পরামর্শ ফি নিয়ে থাকেন। মহিলা রোগীদের দেখার সময় আত্মীয় স্বজনদের কাছ থাকতে দেয়া হয়। সরকারি ওষুধ থাকা সত্ত্বেও রোগীদের না দিয়ে ব্যবস্থাপত্রে তার নির্দিষ্ট ফার্মেসি ও ওষুধ কোম্পানির ওষুধ লিখেন। এছাড়া অফিস চলাকালীন সময়ে বাইরে গিয়ে গিয়ে রোগী দেখেন। বেশির ভাগ সময় তাকে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পাওয়া যায় না।

এসব অভিযোগের বিষয় নিয়ে তদন্ত করতে গত বৃহস্পতিবার সকালে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যায় দুই সদস্য বিশিষ্ট কমিটি। এ সময় কয়েকশ ভুক্তভোগী এলাকাবাসী বিক্ষোভসহ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ঘেরাও করে রাখে।

উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার ডা. আব্দুল মজিদ তার বিরুদ্ধে আনিত সকল অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, কিছু সুবিধাবাদী লোক তার কাছ থেকে সুবিধা না পেয়ে বিভিন্ন ধরনের গুজব রটিয়েছে এবং মিথ্যা অভিযোগ করেছে।

আব্বাস আলী/এএম/এমএস