ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

উপকূলে নেই পর্যাপ্ত বেড়িবাঁধ

জেলা প্রতিনিধি | প্রকাশিত: ০৭:০৪ এএম, ০১ জুন ২০১৭

উপকূলীয় জেলা পটুয়াখালীর অনেক এলাকায় এখনও পর্যাপ্ত বেড়িবাঁধ নেই। আর অনেক স্থানের ভাঙা বেড়িবাঁধ বছরের পর বছর মেরামত না করায় স্বাভাবিক জোয়ারের পানিতেই ওই সব এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। এর ফলে ঘূর্ণিঝড় কিংবা দুর্যোগের খবরে এসব এলাকার মানুষ ভয় আর আতঙ্কের মধ্যে বসবাস করেন। জীবন ও সম্পদহানির পরিমাণ কমাতে দ্রুত এসব বাঁধ সংস্কারের দাবি স্থানিয়দের।

জানা গেছে, বেড়িবাঁধ না থাকায় পটুয়াখালীর বাউফলের চন্দ্রদ্বীপ, দশমিনার চর বোরহান, রাঙ্গাবালীর চর, সদর উপজেলার ছোটবিঘাই, বড়বিঘাই ইউনিয়ন। আর অব্যাহত ভাঙনের কারণে হুমকির মুখে রয়েছে কুয়াকাটার খাজুড়া বেড়িবাঁধ। এই বাঁধটি এখনই সংস্কারের উদ্দোগ না নিলে যেকোনো সময় বাঁধ ভেঙে পর্যটন শহর কুয়াকাটাসহ পার্শ্ববর্তী দুটি ইউনিয়ন প্লাবিত হবে।

কলাপাড়া উপজেলার নিজামপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা সোলেমান জানান, গত দুই বছর আগে বেড়িবাঁধ ভেঙে আমাদের এ ইউনিয়নের অন্তত আট হাজার মানুষ মানবেতর জীবন যাপন করছে। বর্তমানে প্রতি জোয়ারের পানিতেই প্লাবিত হচ্ছি আমরা।

এসময় কথা হয় একই এলাকার বাসিন্দা বিধান মন্ডলের সঙ্গে। তিনি বলেন, গত দুই বছর আগে বেড়িবাঁধ ভেঙে পানি ঢোকায় অন্তত তিন হাজার একর কৃষি জমি দুই বছর যাবত অনাবাদী রয়েছে। আর বাঁধের ভাঙা অংশ দিয়ে সাগরের লবণ পানি লোকালয়ে প্রবেশ করায় নষ্ট হয়েছে মাছের ঘের, গবাদি পশু ও হাঁস মুরগি নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে বসবাস করছেন স্থানীয়রা। অপরদিকে লবণ পানি ব্যবহারের ফলে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে নারী ও শিশুরা।

এদিকে পটুয়াখালীর কলাপাড়ার লতাচাপলি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আনসার মোল্লা জানান, বেড়িবাঁধ না থাকায় আমার এলাকার মানুষ দুর্যোগের খবর পেলে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।

তবে কলাপাড়া ডিভিশন পানি উন্নয়ন বোর্ড নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল খায়ের বলেন, পর্যাপ্ত বরাদ্দ পেলে বাধ নির্মাণে উদ্দোগ নেয়া হবে। সরকার দ্রুত এসব বাঁধ মেরামতে উদ্যোগ নেবে এমনটাই প্রত্যাশা এলাকাবাসীর।

মহিব্বুল্লাহ্ চৌধুরী/এফএ/আরআইপি