ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

‘শঙ্কিত’ সাংবাদিক শিমুলের স্ত্রী

প্রকাশিত: ১১:৪৮ এএম, ০৬ জুন ২০১৭

দৈনিক সমকালের শাহজাদপুর প্রতিনিধি আবদুল হাকিম শিমুল হত্যাকাণ্ডের অন্যতম অভিযুক্ত হাবিবুল হক মিন্টু জামিন পাওয়ায় শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন মামলার বাদী ও নিহত সাংবাদিক শিমুলের স্ত্রী নুরুন্নাহার খাতুন।

সংবাদ সম্মেলন করে নুরুন্নাহার তার স্বামী সাংবাদিক আবদুল হাকিম শিমুল হত্যা মামলার ন্যায় বিচারের স্বার্থে আসামি হাবিবুল হক মিন্টুর জামিন বাতিল এবং মামলাটিকে দ্রুত বিচার আদালতে স্থানান্তরেরও দাবি জানান।

মঙ্গলবার বিকেলে বগুড়া প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আসামি মিন্টু রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত প্রভাবশালী। তার জামিন পাওয়ার ঘটনা আমাকে আতঙ্কিত করে তুলেছে। কারণ শাহজাদপুরের মিরু পরিবার সিরাজগঞ্জ থেকে পাবনা হয়ে বগুড়া পর্যন্ত নানাভাবে সংযুক্ত। যেহেতু আমি চাকরির কারণে আমার দুই ছেলে-মেয়েকে নিয়ে বগুড়া শহরে অবস্থান করছি, সে কারণে মিন্টু জামিনে ছাড়া পাওয়ার পর থেকে আমি নিজে তো বটেই তার চেয়েও বেশি সন্তানদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত এবং রীতিমতো অসহায় বোধ করছি।

নুরুন্নাহার খাতুন তার লিখিত বক্তব্যে শিমুল হত্যা মামলার সুষ্ঠু বিচার নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে বলেন, আসামি পক্ষ শুরু থেকেই এই হত্যা মামলার বিচার প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করতে নানামুখি অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এক মাসেরও বেশি আগে মামলার চার্জশিট দেয়া হলেও আদালতে এখন পর্যন্ত তা গৃহীত হয়নি। কারণ চার্জশিট গৃহীত হলেই প্রধান আসামি হালিমুল হক মিরু আর শাজহাদপুর পৌরসভার মেয়র হিসেবে থাকতে পারবেন না।

অসুস্থতার অজুহাতে তাকে ঢাকার হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে তিনি সেখানে বসেই কলকাঠি নাড়াচ্ছেন। তাছাড়া এই মামলার অনেক আসামি এখনও গ্রেফতার হয়নি। পলাতক এসব আসামিদের নিয়েই কিছুদিন আগে মিরুর মুক্তির দাবিতে তার নিজ এলাকায় মানববন্ধনও করা হয়েছে। তাই মিন্টুর মতো একজন প্রভাবশালী আসামিকে জামিন দেয়া হলে মামলার স্বাভাবিক বিচার প্রক্রিয়া ব্যাহত হবে।

সংবাদ সম্মেলনে নুরুন্নাহার খাতুন তার স্বামী শিমুল হত্যাকাণ্ডের পর তাকে বগুড়ায় সরকারি অ্যাসেনশিয়াল ড্রাগস্ কোম্পানি লিমিটেডে (ইডিসিএল) চাকরির ব্যবস্থা করে দেয়ায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। পাশাপাশি শিমুল হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে সোচ্চার থাকার জন্য সিরাজগঞ্জ ও বগুড়াসহ সারাদেশের সাংবাদিকদের ভূমিকারও প্রশংসা করেন তিনি।

লিমন বাসার/এএম/জেআইএম