বগুড়ায় পৃথক ঘটনায় দুইজনের মৃত্যু
বগুড়ার কাহালু উপজেলার চা বিক্রেতা শাহিন মন্ডলের (৪০) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পাশপাশি শেরপুর উপজেলায় জমিতে পানি সেচকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের লাঠির আঘাতে আব্দুর রাজ্জাক (৩৬) নামের এক কৃষক নিহত হয়েছেন। রোববার বিকেলে একই সময়ে পৃথক এই দুটি ঘটনা ঘটে।
শাহিন শিবগঞ্জ উপজেলার খেওনি বিন্নাচাপড় গ্রামের লেদু মন্ডলের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে দুপচাঁচিয়ায় চা বিক্রি করতেন। আব্দুর রাজ্জাক শেরপুর উপজেলার রামনগর উত্তরপাড়া গ্রামের বোরহান উদ্দিন ফকিরের ছেলে।
কাহালু থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আনিছুর রহমান আনিছ জানান, বিকেলে রান্না করার জন্য বুলু শেখের মা চুলার কাছে গিয়ে শাহিনের মরদেহ দেখে চিৎকার দেয়। এ সময় বাড়ির অন্যান্য সদস্যরা এগিয়ে এসে মরদেহটি দেখতে পায়। পরে তারা কাহালু থানা পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে।
পুলিশের ধারণা, দুপুরে বাড়ির লোকজনের অনুপস্থিতি ও বাড়িতে নির্জনতার সুযোগে শাহিনকে দুর্বৃত্তরা জবাই করে মরদেহ ফেলে রাখে। এখন ঘটনাটি পুলিশ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে।
এদিকে বগুড়ার শেরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) বুলবুল ইসলাম জানান, শেরপুর উপজেলার রামনগর উত্তরপাড়া গ্রামের হযরত প্রামানিকের ছেলে শামীম হোসেনের শ্যালোমেশিন থেকে একই গ্রামের আব্দুর রাজ্জাক ঘণ্টায় ২০০ টাকায় পানি নেয়ার চুক্তি করে।
কিন্তু ৫০ টাকা কম পাওয়ার কারণে সে অন্য শ্যালোমেশিন থেকে ঘণ্টায় দেড়শ টাকা চুক্তি করে নিজের সবজির জমিতে পানি নিচ্ছিল।
বিষয়টি নিয়ে গতকাল শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এরপর রোববার বিকেলে একই বিষয় নিয়ে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে শামীমের হাতে থাকা লাঠি দিয়ে রাজ্জাকের মাথায় আঘাত করে।
এতে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে রাজ্জাককে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসা দেয়ার আগেই সে মারা যায়। এ ঘটনাতে থানায় হত্যা মামলার দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
লিমন বাসার/এএম /পিআর