ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

নওগাঁয় ১৮৫৪ মেট্রিক টন ভিজিএফের চাল বরাদ্দ

প্রকাশিত: ১২:৪১ পিএম, ২১ জুন ২০১৭

আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নওগাঁ জেলায় এক লাখ ৮৫ হাজার ৪১৯ পরিবারের মধ্যে বিতরণের জন্য এক হাজার ৮৫৪ দশমিক ১৯০ মেট্রিক টন ভিজিএফের চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে জেলার ১১টি উপজেলার ৯৯টি ইউনিয়ন পরিষদের অুনুকূলে এক লাখ ৭৪ হাজার ৬৩৬ পরিবারের অনুকূলে এক হাজার ৭৪৬ দশমিক ৩৬০ মেট্রিক টন এবং তিনটি পৌরসভার ১০ হাজার ৭৮৩ পরিবারের অনুকূলে ১০৭ দশমকি ৮৩০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

নওগাঁ জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. আব্দুল মান্নান জানান, পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে ০৮-০৬-২০১৭ খ্রিষ্টাব্দ মোতাবেক এই বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

উপজেলা ভিত্তিক পরিবার এবং বরাদ্দকৃত চালের পরিমাণ হচ্ছে- পোরশা উপজেলায় ২৪ হাজার ৭৪৬ পরিবারের অনুকূলে ২৪৭ দশমিক ৪৬০ মেট্রিক টন, সাপাহার উপজেলায় ২৬ হাজার ৪৪২ পরিবারের অনুকূলে ২৬৪ দশমিক ৪২০ মেট্রিক টন, নওগাঁ সদর উপজেলায় ২২ হাজার ১৩৬ পরিবারের অনুকূলে ২২১ দশমিক ৩৬০ মেট্রিক টন, নিয়ামতপুর উপজেলায় ১৩ হাজার ৪৬০ পরিবারের অনুকূলে ১৩৪ দশমিক ৬০০ মেট্রিক টন, পত্নীতলা উপজেলায় ১২ হাজার ৬২ পরিবারের অনুকূলে ১২০ দশমিক ৬২০ মেট্রিক টন, মান্দা উপজেলায় ১৭ হাজার ৬২০ পরিবারের অনুকূলে ১৭৬ দশমকি ২০০ মেট্রিক টন, আত্রাই উপজেলায় ৯ হাজার ২৬৬ পরিবারের অনুকূলে ৯২ দশমকি ৬৬০ মেট্রিক টন, রানীনগর উপজেলায় ৮ হাজার ৭৪১ পরিবারের অনুকূলে ৮৭ দশমকি ৪১০ মেট্রিক টন, মহাদেবপুর উপজেলায় ১৩ হাজার ৫২৫ পরিবারের অনুকূলে ১৩৫ দশমকি ২৫০ মেট্রিক টন, বদলগাছি উপজেলায় ১৩ হাজার ৮৮৩ পরিবারের অনুকূলে ১৩৮ দশমিক ৮৩০ মেট্রিক টন এবং ধামইরহাট উপজেলায় ১২ হাজার ৭৫৫ পরিবাপরের অনুকূলে ১২৭ দশমকি ৫৫০ মেট্রিক টন।

অপরদিকে, নওগাঁ জেলা সদরে অবস্থিত নওগাঁ পৌরসভার ৪ হাজার ৬২১ পরিবারের অনুকূলে ৪৬ দশমকি ২১০ মেট্রিক টন, ধামইরহাট পৌরসভার তিন হাজার ৮১ পরিবারের অনুকূলে ৩০ দশমকি ৮১০ মেট্রিক টন এবং নজিপুর পৌরসভার ৩ হাজার ৮১ পরিবারের অনুকূলে ৩০ দশমকি ৮১০ মেট্রিক টন।

ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এসব উপকারভোগীদের মধ্যে বিনামূল্যে চাল বরাদ্দ দেয়া হবে। তবে চালের পরিবর্তে এ বছর এসব পরিবারের মধ্যে গম বিতরণের সম্ভাবনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে ১০ কেজি চালের পরিবর্তে পরিবার প্রতি ১৩ কেজি ৪০০ গ্রাম করে গম প্রদান করা হবে।

আব্বাস আলী/আরএআর/জেআইএম