ফরিদপুরে পানির স্রোতে ধসে গেছে সেতুর সংস্কার কাজ
পদ্মার তীব্র পানির স্রোতে সদর উপজেলার নর্থচ্যানেল ইউনিয়নের দীর্ঘদিনের পুরাতন গোলডাংগী সেতুটির ২টি স্প্যান ১২ মিটারে মতো ধসে যাওয়ার ফলে ইউনিয়নের সঙ্গে শহরের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
সেতু ধসের সংবাদ পেয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান খন্দকার ম্হোতেশাম হোসেন বাবর, এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী নুর হোসেন ভুইঞা, স্থানীয় চেয়ারম্যান মোস্তাকুজ্জামান ঘটনাস্থলে ছুটে যান এবং সেতুটি সংস্কারের জন্য দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।
সোমবার সন্ধ্যার মধ্যে সেতু দিয়ে ছোট যানবাহন চলাচলের উপযোগি করা যাবে বলে জানিয়েছেন নর্থচ্যানেল ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাকুজ্জামান।
এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নুর হোসেন ভুইঞা জানান, গোলডাংগী পুরাতন সেতুটি দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ অবস্থায় ছিল। আর সেই কারণে এলজিইডি প্রায় ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে পুরাতন সেতুর পাশে ৯৫ মিটারের একটি নতুন সেতু নির্মাণ করছে। নতুন সেতুটির নির্মাণ কাজের প্রায় ৯০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে।
এলাকাবাসী জানায়, এলাকার কতিপয় বালু ব্যবসায়ী ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করার কারণে সেতুটি ধসে গেছে।
পদ্মার পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে আগামী কয়েকদিনের মধ্যে ফরিদপুরের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয় জনগণ।
বর্তমানে পদ্মা নদীর পানি বিপদ সীমার ৬৫ সে.মিটার নিচ দিয়ে প্রাবাহিত হচ্ছে। এখন পর্যন্ত ফরিদপুর জেলার কোথাও বন্যা কবলিত হয়নি।
তরুণ/এমএএস/এমএস