ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

টাঙ্গাইলে মা`সহ ৩ মেয়েকে পুড়িয়ে মারার মামলা সিআইডিতে স্থানান্তর

প্রকাশিত: ১০:৩৪ এএম, ২৮ মে ২০১৫

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে মা`সহ তিন মেয়েকে পুড়িয়ে মারার লোমহর্ষক হত্যা মামলাটি সিআইডিতে স্থানান্তর করা হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যায় টাঙ্গাইলের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (ঙ অঞ্চল) এর বিচারক গোলাম কিবরিয়া নারাজির আবেদনের শুনানির শেষে এ আদেশ দেন।

মির্জাপুর থানার উপ-পরিদর্শক ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শ্যামল কুমার দত্ত গত ২৫ ফেব্রুয়ারি এ মামলায় জড়িত ৬ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মূল প্রতিবেদন দাখিল করেন। দাখিলকৃত এ প্রতিবেদনে রয়েছে মামলার এজাহারভুক্ত প্রধান অভিযুক্ত জাহাঙ্গীর আলম ও তার চাচাতো ভাই নুর মোহাম্মদ নিপু। বাকি ৪ জনের মধ্যে রয়েছেন অবৈধভাবে পেট্রল বিক্রির দায়ে অভিযুক্ত উপজেলার মাছরাঙ্গা ফিলিং স্টেশনের কর্মচারি আবুল বাশার, মো. ওয়াসিম, আব্দুল মান্না ও মীর আজাদুল ইসলাম।

এ লোমহর্ষক মামলার মূল এজাহারভুক্ত ১০ জনের ৮ জনকে বাদ দেয়ায় বাদী মোফাজ্জল হোসেন গত ২৫ মার্চ এ মূল প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে নারাজি আবেদন করেন। বুধবার সন্ধ্যায় চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ নারাজির শুনানি হয়।

আদালতের উপ-পরিদর্শক (এস.আই) মো.শফিকুল ইসলাম জাগো নিউজকে জানান, সঠিক, সুষ্ঠু ও অধিকতর তদন্তের স্বার্থে আদালত এ স্পর্শকাতর মামলাটি সিআইডিতে স্থানান্তরের আদেশ দিয়েছেন।

সিআইডিতে স্থানান্তর প্রসঙ্গে বাদী মোফাজ্জল হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, আদালতের নির্দেশনা আর সিআইডিতে এর তদন্তভার হস্তান্তরে আইনের প্রতি শুধুই তার শ্রদ্ধা বৃদ্ধি পায়নি, সিআইডির সঠিক ও সুষ্ঠু তদন্তে এ লোমহর্ষক হত্যায় জড়িত প্রকৃত দোষীরা বিচারের আওতায় আসবেন বলে তিনি স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।

উল্লেখ্য, গত ঈদুল আযহার রাতে মেয়েকে বিয়ে দিতে রাজি না হওয়ায় মির্জাপুর উপজেলার গোড়াই ইউনিয়নের সোহাগপাড়া গ্রামের মালয়েশিয়া প্রবাসী মজিবর রহমানের স্ত্রী হাসনা বেগম (৩৫) এবং তার তিন মেয়ে মনিরা আক্তার (১৪), বাক প্রতিবন্ধী মীম আক্তার (১০) ও মলি আক্তারকে (৭) ঘুমন্ত অবস্থায় ঘরে পেট্রল ঢেলে আগুনে পুড়িয়ে মারা হয়।

এ ঘটনায় পরদিন ওই গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমকে প্রধান করে ১০ জনের বিরুদ্ধে মজিবরের শ্যালক মোফাজ্জল হোসেন বাদী হয়ে মির্জাপুর থানায় মামলা করেন।

এমজেড/আরআই