ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

সুন্দরবনে অবাধে চলছে হরিণ শিকার

জেলা প্রতিনিধি | সাতক্ষীরা | প্রকাশিত: ০৪:৫০ পিএম, ০৪ আগস্ট ২০১৭

সুন্দরবনের অভয়ারণ্য এলাকায় বন বিভাগের সহযোগিতায় চলছে অবাধে হরিণ শিকার। তবে হরিণ শিকারে বিষয়ে বন বিভাগের নীরবতা ভাবিয়ে তুলেছে বিশিষ্টজনদের। শুধু হরিণ শিকারই নয় বিষ প্রয়োগ করে চলছে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ শিকার।

সুন্দরবন থেকে আনা নৌকায় বা ট্রলারে করে শিকার করা হরিণ লোকালয়ে আনা হচ্ছে। সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের পুষ্পকাটি ও নটাবেকী টহল ফাঁড়ি এলাকায় কোনো প্রকার প্রবেশ সরকারিভাবেই নিষেধ। তবে বনবিভাগের প্রকাশ্য সহযোগিতায় এসব এলাকায় সাপ্তাহিক ও মাসিক চুক্তিতে প্রকাশ্যে মাছ ধরা হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানায়, টাকার বিনিময়ে দাদন ব্যবসায়ীদের সহযোগিতায় জেলেরা সুন্দরবনের এসব এলাকায় প্রবেশ করে মাছ ও কাঁকড়া ধরতে। তবে এসব জেলেরা সুযোগ বুঝেই নেমে পড়ে হরিণ শিকারে। অভয়ারণ্য এলাকা থেকে মাছ, কাঁকড়া আর হরিণ শিকার করে প্রকাশ্যে চললেও বন বিভাগ বরাবরই নীরব।

নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, সাপ্তাহিক ও মাসিক চুক্তিতে জেলেরা বন বিভাগকে টাকা দেয়ার কারণে জেলেদের গহীন সুন্দরবন থেকে মাছ, কাঁকড়া আর হরিণ শিকারের কর্মকাণ্ডে নীরবতা পালন করছে।

জেলা সচেতন নাগরিক কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট ফাহিমুল হক কিসলু জাগো নিউজকে বলেন, বনবিভাগের প্রকাশ্য সহযোগিতায় হরিণ শিকার, মাছ শিকার চলছে। আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলতে চায় সুন্দরবনকে ধ্বংস করতে যারা অপতৎপরতা চালাচ্ছে এদের নির্মূল করতে হবে। এছাড়া যেসব বনবিভাগের কর্মকর্তারা এ কাজে সহযোগিতা করছে তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।

ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি আরও বলেন, সুন্দরবনকে ধ্বংস করার জন্য যেসব দস্যুরা লিপ্ত রয়েছে সে জেলে হোক আর কোনো বনবিভাগের কর্মকর্তাই হোক তাদের আইনের আওতায় আনা জরুরি।

তবে এসব বিষয়ে সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জ কর্মকর্তা শোয়েব খান বলেন, বিষয়টি তদন্ত করা হবে। এছাড়া অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আকরামুল ইসলাম/এএম