রাজবাড়ীতে প্রস্তুত ১৬ হাজার পশু
রাজবাড়ীর পাঁচ উপজেলায় ২৭৯টি খামারে মোট ১৬ হাজার ১৯৫টি পশু কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। এর মধ্যে ৮ হাজার ২৯৫টি ষাড়, ১১৫টি বলদ, ১১০টি ভেড়া ও ৬ হাজার ৩৩৯টি ছাগল। কোরবানির ঈদে পশু কিনতে ক্রেতারা আগেভাগে ভিড় জমান পশুর খামার কিংবা বাজারে। এজন্য খামারিরা ঈদের প্রায় ৮ থেকে ১০ মাস আগে থেকেই পশু মোটাতাজা করতে শুরু করেন।
রাজবাড়ী সদর উপজেলার আলীপুর ইউনিয়নের আলাদীপুর গ্রামের এপি সোড এগ্রো লিমিটেড খামারে গিয়ে জানা গেছে, খামারে কোরবানির ঈদ উপলক্ষে ১১০টি ষাড় গরু মোটাতাজা করা হচ্ছে। খামারে দেশি জাতের ষাড় গরুসহ ফিজিয়ান, শাহিওয়াল, সিন্ধি, শঙ্কর জাত রয়েছে।খামার মালিকের দাবি ষাড়গুলোর মধ্যে বেশ কয়েকটি রয়েছে যেগুলোর ওজন ৮০০ থেকে ১২০০ কেজি।

খামার পরিচর্যাকারী মো. জলিল, ইউনুছ মিয়া, সাদ্দাম হোসেন জানান, প্রাকৃতিক খাবার খাইয়ে গরুগুলো মোটাতাজা করা হচ্ছে।
এপি সোড এগ্রো লিমিটেডের চেয়ারম্যান আবুর কালাম আজাদ কহিনুর ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিজানুর রহমান শাহিন বলেন, ভারত থেকে অনেক গরু বাংলাদেশে এসেছে, আর যদি গরু আসে তাহলে খামারিদের অনেক লোকসান হবে। এবার পর্যাপ্ত পরিমাণ গরু বাংলাদেশে আছে, তাই আমদানি বন্ধ করলে তাদের মতো খামারিরা লাভবান হবেন।
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, কোরবানির ঈদ উপলক্ষে রাজবাড়ীর প্রতিটি খামারেই প্রাকৃতিক উপায়ে পশু মোটাতাজাকরণ করা হচ্ছে। তালিকাভুক্ত খামারির পাশাপাশি আরো বেশ কিছু পশু মোটাতাজা করা হচ্ছে। তবে ঈদে পশুর বাজারে মনিটরিং টিম থাকবে গরু পরীক্ষার জন্য।

রুবেলুর রহমান/এফএ/আরআইপি