ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

রূপার বোনকে চাকরি দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

জেলা প্রতিনিধি | সিরাজগঞ্জ | প্রকাশিত: ০২:৩৯ পিএম, ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৭

টাঙ্গাইলের মধুপুরে চলন্ত বাসে গণধর্ষণ ও হত্যার শিকার জাকিয়া সুলতানা রূপার ছোট বোন মাশরুফা আক্তার পপিকে সরকারি ওষুধ কোম্পানি এসেনশিয়াল ড্রাগসে চাকরি দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনামন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম।

শুক্রবার বিকেল ৪টার দিকে রূপার গ্রামের বাড়ি গিয়ে তার মা, ভাই ও বোনসহ পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দেয়ার সময় এ প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

সেই সঙ্গে রূপা হত্যার বিচার যাতে দ্রুত সময়ে হয় এ জন্য তাদের বাড়ি থেকেই আইনমন্ত্রী আনিসুল হককে ফোন করে মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানোর ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। জবাবে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখবেন বলে মামলাটির সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দেন আইনমন্ত্রী।

এ সময় নিহত রূপার ছোট বোনকে চাকরি দেয়ার আশ্বাস দিয়ে তার কাছ থেকে বায়োডাটা নেন মোহাম্মদ নাসিম। পরিবারটিকে নগদ ১ লাখ টাকা সহায়তা দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

একই সময়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য গাজী ম,ম আমজাদ হোসেন মিলন নগদ ৫০ হাজার, জেলা প্রশাসক কামরুন নাহার সিদ্দিকা দুর্যোগ ও ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় হতে প্রাপ্ত নগদ ২৫ হাজার এবং উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আব্দুল হক নগদ ১০ হাজার টাকা সহায়তা দেন। এর আগে সিরাজগঞ্জ পুলিশ সুপার মিরাজ উদ্দিন আহম্মেদ নিহতের পরিবারকে ১০ হাজার টাকা দিয়েছেন।

nasim-comitment

প্রসঙ্গত, স্বাস্থ্যমন্ত্রী রূপার স্বজনদের সঙ্গে দেখা করতে তাদের বাড়িতে রওনা হলেও বন্যার কারণে বাড়িটিতে পৌঁছতে না পেরে পাশের একটি বাসায় তাদের ডেকে নিয়ে কথা বলেন। এরপর পাশের একটি ফাঁকা স্থানে পরিবারের পক্ষ থেকে আয়োজিত স্মরণসভায় অংশ নেন।

জেলা প্রশাসক কামরুন নাহার সিদ্দিকার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত স্মরণসভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেন, মেধাবী শিক্ষার্থী রূপাকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় যারা জড়িত পুলিশ ইতোমধ্যেই তাদের গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠিয়েছে এবং তারা নিজেদের দোষ স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দিও দিয়েছে।

এ অবস্থায় আসামিরা যাতে দ্রুত শাস্তি পায়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সভামঞ্চ থেকে আইনমন্ত্রীর সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

গত শুক্রবার রূপা বগুড়ায় শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে বাসে কর্মস্থল ময়মনসিংহে ফিরছিলেন। পথে বাসচালক ও হেলপারের হাতে ধর্ষণ ও হত্যার শিকার হন।

এ ঘটনায় টাঙ্গাইলের মধুপুর থানার পুলিশ বাসটির পাঁচ কর্মীকে গ্রেফতার করেছে। তারা পাঁচজন এ ঘটনায় জড়িত বলে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

ইউসুফ দেওয়ান রাজু/এএম/পিআর

আরও পড়ুন