ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

নেত্রকোনায় কিশোরী ধর্ষণ, ধর্ষকের গ্রেফতার দাবি

জেলা প্রতিনিধি | নেত্রকোনা | প্রকাশিত: ০২:০০ পিএম, ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৭

নেত্রকোনা সদর উপজেলার ঠাকুরাকোনা গ্রামের কিশোরী পান্না আক্তারের ধর্ষক ও আত্মহত্যায় প্ররোচনাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার বিকেল ৫টায় জেলা শহরের মোক্তারপাড়া সড়কে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

এ মানববন্ধন মানবাধিকার সংরক্ষণ পরিষদ, মহিলা পরিষদ, স্বাবলম্বী, নারী প্রগতি সংঘ ও নেত্রকোনা সাহিত্য সমাজসহ ১৪-১৫টি সংগঠন যৌথভাবে ‘নাগরিক সমাজ, নেত্রকোনা’ এর ব্যানারে এ মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করে।

ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন সিপিবির জেলা শাখার সভাপতি অধ্যাপক মোস্তফা কামাল, প্রেসক্লাব সম্পাদক শ্যামলেন্দু পাল, উদীচীর সভাপতি মোজাম্মেল হক বাচ্চু, নারী প্রগতি সংঘের কেন্দ্র ব্যবস্থাপক আলী আমজাদ খান, মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদিকা তাহেজা বেগম, স্বাবলম্বীর প্রকল্প ব্যবস্থাপক কোহিনূর বেগম, কবি সাইফুল্লাহ এমরান, সাংবাদিক ও ছড়াকার সঞ্জয় সরকার, সাংবাদিক পল্লব চক্রবর্তী, অ্যাডভোকেট আশিষ সরকার উৎপল, অ্যাডভোকেট আল-আমিন, শিক্ষক জিয়াউর রহমান, কবি আব্দুর রাজ্জাক, শিমুল মিলকী, মানবাধিকার কর্মী জাহাঙ্গীর আলম সবুজ, উসমান গণি এবং পান্নার মা আলপনা বেগম প্রমুখ।

এ সময় বক্তারা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ধর্ষণ ও আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে মামলা গ্রহণ এবং ধর্ষকদের গ্রেফতারের আল্টিমেটাম ঘোষণা করেন।

অভিযোগে জানা যায়, গত ৪ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় ঠাকুরাকোনা গ্রামের তিন যুবক দরিদ্র রিকশাচালকের কন্যা পান্না আক্তারকে পাশের মাছের খামারের একটি ঘরে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করে। পরে এক যুবক তার পরিবারকে ঘটনা প্রকাশ না করতে হুমকিও দেয়। পরদিন ঘটনাটি জানাজানি হয়ে গেলে লোকলজ্জায় পান্না আক্তার ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করে।

কিন্তু এ ঘটনায় নেত্রকোনা মডেল থানা পুলিশ একটি অপমৃত্যু মামলা রেকর্ড করে। পান্নার মা আলপনা বেগমের অভিযোগ, তিনি ধর্ষণ মামলা দিতে থানায় গেলেও থানা পুলিশ তা গ্রহণ করেনি।

কামাল হোসাইন/এএম/আরআইপি