রোহিঙ্গাদের পাশে থাকবে সরকার : ওবায়দুল কাদের
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বন্যা-ঘূর্ণিঝড় ও প্লাবনের সঙ্গে যুদ্ধ করে আমরা টিকে আছি। নিজেদের হাজারও সমস্যার মধ্যেও রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছি।
তিনি বলেন, নির্যাতনে দেশ ছেড়ে পালিয়ে আসা লাখ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে প্রধানমন্ত্রী দুরন্ত সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন। কাজেই নিজেদের অভাব-অনটন থাকলেও আশ্রিত রোহিঙ্গাদের সব ধরনের সহযোগিতা দেবে সরকার।
রোববার বিকেলে কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম নিয়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন সেতুমন্ত্রী।
রোহিঙ্গাদের নিয়ে কাউকে রাজনীতি করতে দেয়া হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, একটি রাজনৈতিক দল রোহিঙ্গাদের মাঝে ত্রাণের নামে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে চেয়েছিল। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের সেই ষড়যন্ত্র বানচাল করে দিয়েছে।
আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য করে সেতুমন্ত্রী বলেন, সহায়-সম্বল হারানো রোহিঙ্গাদের যেহেতু প্রধানমন্ত্রী আশ্রয় দিয়ে সহযোগিতা দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন, সেহেতু তার সে কথার সফল পরিণতি হওয়া চাই।
বিশ্বের সব রাষ্ট্র মিয়ানমারের বর্বরতা দেখেছে উল্লেখ মন্ত্রী বলেন, আমরা তাদের আশ্রয় দিয়েছি। সহযোগিতা করছি। ইতোমধ্যে জাতিসংঘের চলমান অধিবেশনে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি রোহিঙ্গাদের বিষয়টি সেখানে উপস্থাপন করবেন। নিজ দেশে নিপীড়িত রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়ার বিষয়টি তুলে ধরে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে জনমত গঠনে কাজ করবেন। কাজেই রোহিঙ্গা সমস্যা যতদিন সমাধান না হবে ততদিন আমরা তাদের পাশে থাকব।
ওবায়দুল কাদের বলেন, রোহিঙ্গাদের স্যানিটেশন, পানি ও বাসস্থান সমস্যা ধীরে ধীরে সমাধান হচ্ছে। বাকি সমস্যার সমাধান করতে হলে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক শামীম, ত্রাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দি, আবদুর রহমান বদি এমপি, আশেকউল্লাহ রফিক এমপি, কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা, সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান চেয়ারম্যান, টেকনাফ উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি সাবেক সাংসদ অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী, সাধারণ সম্পাদক নুরুল বশর, উখিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী, রাশেদুল ইসলাম ও মেয়র মাহবুবুর রহমান।
সায়ীদ আলমগীর/এএম/আরআইপি