ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

যশোরে ৫ পুলিশ কর্মকতাসহ এনজিও কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

প্রকাশিত: ০২:৩৫ পিএম, ১৪ জুন ২০১৫

যশোর পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের ছাত্র ইসমাইল শেখ ও তার বন্ধু আল-আমিনকে হত্যার অভিযোগে কোতোয়ালি মডেল থানার ৫ কর্মকর্তাসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। রোববার নিহত কলেজছাত্র ইসমাইলের বাবা বিলাল উদ্দিন শেখ বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন।

মামলার অভিযুক্তরা হলেন, যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জামাল উদ্দিন, আব্দুর রহিম হাওলাদার, সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) শহিদুল ইসলাম, রাকিবুল ইসলাম, জসিম উদ্দিন এবং বাঘারপাড়ার চাপাতলা গ্রামের রণজিত তরফদারের ছেলে এনজিও কর্মী বরুণ কুমার তরফদার। সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক আবু ইব্রাহিম অভিযোগের তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার অভিযোগে জানা গেছে, যশোর পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের কম্পিউটার টেকনোলজি বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র ইসমাইল শেখ ২৪ মে সন্ধ্যায় তার বন্ধু আল-আমিনকে সঙ্গে নিয়ে হাইকোর্ট মোড়ের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যায়। এরপর থেকে তাদের দুইজনকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। পরদিন দুপুরে খবর পেয়ে হাসপাতাল মর্গে গিয়ে তাদের মরদেহ সনাক্ত করা হয়। পুলিশ তাদের জানায়, `ছিনতাইকালে তারা গণপিটুনিতে` নিহত হয়েছে। পুলিশ এ সংক্রান্ত একটি মামলাও করে।

কিন্তু মামলার এজাহার, ঘটনাস্থল ও স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে গণপিটুনিতে নিহত হওয়ার বিষয়টি সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে তিনি জানতে পারেন, প্রেমের কারণে মেয়ে পক্ষের লোকজন পুলিশকে দিয়ে এ হত্যাকাণ্ডটি ঘটিয়েছে। আসামি বরুণ কুমার হাওলাদার পুলিশকে ব্যবহার করে তার ছেলে ইসমাইল ও তার বন্ধু আল-আমিনকে অপহরণ করে নিয়ে রাতের যে কোনো সময় হত্যা করে গণপিটুনিতে নিহত হয়েছে বলে প্রচার করা হয়। বিষয়টি যথেষ্ট সন্দেহের হওয়ায় নিহতের পিতা বিলাল শেখ থানায় হত্যার অভিযোগে মামলা দিলে পুলিশ তা গ্রহণ না করায় তিনি আদালতে এ মামলা করেন।

যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শিকদার আক্কাস আলী জানান, আদালতের এ সংক্রান্ত কোনো নির্দেশনা এখনও পাওয়া যায়নি।

মিলন রহমান/এআরএ/আরআই