ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যানজটে সীমাহীন দুর্ভোগ

মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) | প্রকাশিত: ০৬:৩৮ এএম, ০৮ অক্টোবর ২০১৭

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে তীব্র যানজটে আটকা পড়ে যাত্রীদের সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। শনিবার রাত একটা থেকে রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত দীর্ঘ যানজট স্থায়ী হয়। যানজট এক পর্যায় মহাসড়কের চন্দ্রা থেকে টাঙ্গাইলের করটিয়া পর্যন্ত প্রায় ৪০ কিলোমিটার এলাকায় বিস্তৃত হয়।

পুলিশ, চালক ও যাত্রীরা জানান, মহাসড়কের বিভিন্ন স্থান চারলেনে উন্নীতকরণের কাজ চলছে। মহাসড়কের পুরাতন সড়ক কেটে গর্ত করা এবং রাস্তার পাশ কমে যাওয়ায় যানবাহনের চালকেরা গতি কমিয়ে চালানোর কারণে থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হয়। তাছাড়া শুক্রবার ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি শেষে মানুষ কর্মস্থলে ফেরার কারণে শনিবার বিকেল থেকে মহাসড়কে স্বাভাবিকের চেয়ে যানবাহন চলাচল বৃদ্ধি পায়।

এছাড়া রাত একটার দিকে মহাসড়কে মির্জাপুরের কুমারজানি নামক স্থানে মা সিএনজি স্টেশনের সামনে বালু ভর্তি একটি ট্রাক বিকল হলে যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। ফলে যানজটের সৃষ্টি হয়। এক ঘণ্টা পর পুলিশ রেকারের সাহায্যে দুর্ঘটনা কবলিত ট্রাকটি সরিয়ে নিলে থেমে থেমে যান চরাচল শুরু হয়।

পরে মহাসড়কের দেওহাটা থেকে পুরাতন সড়ক দিয়ে টাঙ্গাইলের দিকে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখলেও ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে উপজেলা সদরের পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে একটি ট্রাক বিকল হলে যান চলাচল একেবারে বন্ধ হয়ে যায়। যানজট এক পর্যায় মহাসড়কের উভয় পাশে কমপক্ষে ২০ কিলোমিটার এলাকায় স্থায়ী হয়।

Mirzapur

সকাল ৮টার দিকে মির্জাপুর বাস কোচ মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. আলী হোসেনের প্রচেষ্টায় দুর্ঘটনা কবলিত ট্রাকটি সরিয়ে নিলে যান চলাচল শুরু হয়। যানজটের কারণে খবরের কাগজও প্রায় দুই ঘণ্টা বিলম্বে মির্জাপুরে পৌঁছায়।

নাসির গ্লাস অ্যান্ড টিওব ফ্যাক্টরির শ্রমিক রিফাত হোসেন, কবরী বেগম জানান, যানজটের কারণে মহাসড়কের দেওহাটা বাসস্ট্যান্ড থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার হেঁটে আধা ঘণ্টা বিলম্বে ফ্যাক্টরিতে পৌঁছেছেন।

কালিয়াকৈর থেকে পাকুল্যাগামী পিকআপের চালক আরজু মিয়া জানান, বিভিন্ন ফ্যাক্টরির শ্রমিক বহন করে সারদিনের রোজগার সকালেই করে থাকেন। কিন্তু রোববার যানজটেই আটকা পড়ে থাকতে হয়েছে।

মির্জাপুর ট্রাফিক পুলিশের ইনস্পেক্টর মো. সেলিম জানান, মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে যানবাহন বিকল হওয়ায় শনিবার রাত একটা থেকে হয়ে রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত স্থায়ী হয়। যানজট নিরসনে ট্রাফিক, থানা ও হাইওয়ে পুলিশ এবং শ্রমিক নেতারা কাজ করেছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এস এম এরশাদ/এফএ/এমএস

আরও পড়ুন