তিস্তা ব্যারাজের কাজে অনিয়মের তদন্ত শুরু
ফাইল ছবি
পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) নীলফামারীর ডালিয়া বিভাগের আওতায় ২০১৪-২০১৫ অর্থ বছরে তিস্তা ব্যারাজের বিভিন্ন অবকাঠামোর সম্পন্ন হওয়া কয়েকটি কাজে অনিয়মের তদন্ত শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
দুদক সমন্বিত দিনাজপুর কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক বীরকান্ত রায় বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত তিস্তা সেচ প্রকল্পভুক্ত নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলায় অনিয়মের অভিযোগ ওঠা কাজগুলো সরেজমিনে ঘুরে দেখেন। এ সময় ডিমলা উপজেলা প্রকৌশলী আবু সালেহ মোহাম্মদ জাফরকে নিয়ে মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়ন হওয়া ব্যারাজ রক্ষায় ডান ও বাম তীর বাঁধ এবং সংস্কার কাজ পরিদর্শন করেন তিনি।
এ সময় পাউবো ডালিয়া বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমান, একই বিভাগের প্রাক্তন নির্বাহী প্রকৌশলী মাহবুবর রহমান এবং স্থানীয় ঠিকাদাররা উপস্থিত ছিলেন।
দুদকের সহকারী পরিচালক বীরকান্ত রায় জানান, অভিযোগের প্রেক্ষিতে সরেজমিনে বিষয়গুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। ওই অর্থ বছরে দুটি প্যাকেজে ৩৭টি উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন হয়। প্রকৌশল সংক্রান্ত হওয়ায় উপজেলা প্রকৌশলীর সহযোগিতায় প্রতিটি কাজের মান যাচাই-বাছাই করে অর্থ ব্যয় নির্ণয় করা হচ্ছে। প্রকল্পগুলোতে অনিয়ম হয়েছে কিনা সেটি দেখছি আমরা।
তিনি জানান, শুধু একদিন নয় অধিকতর যাচাইয়ের জন্য অভিযোগ ওঠা কাজগুলো নিয়ে প্রয়োজনে কয়েকদিন যাচাই-বাছাই করে দেখা হবে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় কয়েকজন ঠিকাদার জানান, পাউবোতে শতভাগ ই-টেন্ডারিং হওয়ার কথা থাকলেও সেটি করেনি সংশ্লিষ্ট দফতর। কর্মকর্তাদের পছন্দের ব্যক্তি এমনকি অনেক কর্মকর্তা কর্মচারী নিজের ও পরিবারের নামে থাকা ঠিকাদারী লাইসেন্স দিয়ে কার্যাদী বাস্তবায়ন করেছেন।
জানতে চাইলে পাউবো ডালিয়া বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমান জানান, সে সময়ে ২টি প্যাকেজে ৩৭টি উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন করা হয়েছিল। ৫০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা ব্যয়ের মধ্যে ছিল কাজগুলো। শুধুমাত্র একটি কাজে ২ লাখ টাকা ব্যয় করা হয়। সব মিলিয়ে বিভিন্ন উন্নয়ন কাজে ৭২ লাখ টাকা ব্যয় করা হয়েছিল। এসব কাজে অনিয়মের অভিযোগ সঠিক নয়।
জাহেদুল ইসলাম/আরএআর/জেআইএম