ভুয়া কাগজে ভোটার হবার সময় দুই রোহিঙ্গা আটক
প্রতীকী ছবি
কক্সবাজার সদর উপজেলার পোকখালী ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে তথ্য গোপন, জাল কাগজপত্র ও কর্মকর্তাগণের স্বাক্ষর জাল করে ভোটার তালিকায় নিবন্ধিত হবার চেষ্টার সময় দুই রোহিঙ্গাকে আটক করে জেলে পাঠিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
সোমবার বিকেলে কক্সবাজার সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়।
কারান্তরিণ রোহিঙ্গারা হলেন, টেকনাফের হ্নীলা কানজরপাড়ার ঠিকানা ব্যবহারকারী মৃত মিয়া হোসেনের ছেলে আবুল হাশিম (৭০) ও রামুর ধেছুয়াপালং এলাকার আবদুল খায়েরের ছেলে মো. আইয়াছ (২৬)। আদালতের কাছে তারা রোহিঙ্গা ও টাকার বিনিময়ে এসব ভুয়া কাগজ তৈরি করেছেন বলে স্বীকার করেছেন। তারা উভয়েই মিয়ানমারের রোহিঙ্গা নাগরিক বলেও স্বীকার করেছেন।
জেলা নির্বাচন অফিস সূত্র জানায়, গত ২৬ অক্টোবর থেকে সদর উপজেলায় ছবিসহ ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম-২০১৭ এ ভোটার হওয়ার যোগ্য বাংলাদেশি নাগরিকদের যাচাই বাছাই শেষে নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু হয়। সোমবার ছিল পোকখালী ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে নিবন্ধন প্রক্রিয়ার নির্ধারিত দিন। ওই দিন বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত আবেদন ফরমের মাধ্যমে আবেদিত লোকদের মাঝে গৃহিত হওয়া ব্যক্তিদের নিবন্ধন কার্যক্রম চলাকালে আটক দু'ব্যক্তির আবেদন ফরম সন্দেহজনক মনে করেন নিবন্ধন টিমে দায়িত্বরতরা। যাচাই বাছাই করে তারা দেখতে পান ওই ব্যক্তিগণ রোহিঙ্গা নাগরিক এবং তাদের আবেদন ফরমে জাল স্বাক্ষর ও সংযুক্ত কাগজপত্রাদি নকল। পরে বিষয়টি সদর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা শিমুল শর্মা এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নোমান হোসেনকে অবহিত করেন দায়িত্বরতরা।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোজাম্মেল হোসেন তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সুপারভাইজারের দায়িত্ব পালনকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ প্রমাণ হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
সায়ীদ আলমগীর/এমএএস/জেআইএম