ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

পণ্য আমদানিতে জালিয়াতি, ভারতীয় ট্রাকচালক জেলহাজতে

জেলা প্রতিনিধি | পঞ্চগড় | প্রকাশিত: ০২:৩১ পিএম, ০২ নভেম্বর ২০১৭

ভারত থেকে মিথ্যা ঘোষণায় অবৈধভাবে আনা পাথরের ট্রাকের ভেতর ২০ টন মোটর পার্টস জব্দের ঘটনায় তেঁতুলিয়া থানায় মামলা হয়েছে।

মামলায় ভারতীয় ট্রাকচালক ধনঞ্জয় রায়কে (২২) বৃহস্পতিবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়। বিজিবির বাংলাবান্ধা বিওপির জেসিও সুবেদার মো. আবু সুফিয়ান বাদী হয়ে বিশেষ ক্ষমতা আইনে এ মামলা করেন।

মামলায় ভারতের দার্জিলিং জেলার মাটিগাড়া থানার বড়লস্করজোত গ্রামের ভোবেন রায়ের ছেলে ট্রাকচালক ধনঞ্জয়, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট মেসার্স তাসনিন এন্টারপ্রাইজ ইন্টারন্যাশনালের ভারপ্রাপ্ত ম্যানেজার আসিফ রাশেদ পান্না (৪২) এবং আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান রোজা ইন্টারন্যাশনাল এন্টারপ্রাইজের মালিক মো. হামিদুর রহমান রিপনসহ ৪/৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়। অন্য দুই আসামি পলাতক রয়েছেন।

মামলার বিবরণ সূত্রে জানা গেছে, গত ৩১ অক্টোবর বিকেলে আমদানিকারক রোজা ইন্টারন্যাশনাল ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট তাসনিন এন্টারপ্রাইজ বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় একটি পাথরবোঝাই ট্রাকের মধ্যে ভারত থেকে মিথ্যা ঘোষণায় অবৈধ পথে ২০ মেট্রিক টন মোটর পার্টস (গাড়ির যন্ত্রাংশ) নিয়ে আসে।

বিষয়টি টের পেয়ে গভীর রাতে স্থানীয় বিজিবির টহলরত সদস্যরা তা আটক করে। পরদিন সকালে ট্রাক ও মালামালসহ পঞ্চগড় ১৮-বিজিবি ব্যাটালিয়নে নিয়ে যায়। সেখানে মালামাল সিজারলিস্ট করা হয় এবং রাতেই ভারতীয় চালক, বাংলাদেশি ও ভারতীয় দুটি ট্রাকসহ মালামাল রাতে তেঁতুলিয়া মডেল থানায় সোপর্দ করে।

ভারতের দার্জিলিং জেলার রফতানিকারক কেজিএন এন্টারপ্রাইজ ইন্টারন্যাশনালের মালিক মো. নুরুল ইসলাম ওই ট্রাকে ২৩ টন পাথরের নিচে ২০ টন মোটর গাড়ির পার্টস (স্প্রিং পাতি) বাংলাদেশের আমদানিকারক রোজা এন্টারপ্রাইজ ইন্টারন্যাশনালের কাছে পাঠায়। অবৈধভাবে আনা পণ্যে মূল্য ১ কোটি ১৪ লাখ ৩০ হাজার টাকা।

বাংলাবান্ধা শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব কর্মকর্তা মো. ফিরোজ আলম বলেন, ট্রাকের পাথরের ভেতর ওই যন্ত্রাংশগুলো এমনভাবে আনা হয়েছে যা ধরার কোনো উপায় ছিল না। আমাদের এখানে ভেহিক্যাল স্কেনার না থাকায় সুযোগের অপব্যবহার করেছে।

তেঁতুলিয়া থানা পুলিশের ওসি সরেস চন্দ্র বলেন, ভারতীয় চালককে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। জব্দকৃত মালামাল দিনাজপুর শুল্ক গুদামে সংরক্ষণের জন্য পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এছাড়া দায়েরকৃত মামলাটি তদন্তের জন্য এলআই বিজিবি দিনাজপুরে পাঠানো হবে।

সফিকুল আলম/এএম/জেআইএম