ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ : নারায়ণগঞ্জে দুই ভাইয়ের নির্দেশেই জোড়া খুন

জেলা প্রতিনিধি | নারায়ণগঞ্জ | প্রকাশিত: ১১:৫০ এএম, ০৭ নভেম্বর ২০১৭

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লার কাশীপুরের হোসাইনিনগর এলাকাতে জোড়া খুনের ঘটনায় মহানগর বিএনপির উপদেষ্টা এমএ মজিদ ও তার ছোট ভাই হাসান আহমেদকে দায়ী করেছেন নিহতের পরিবার।

তাদের দাবি, ১০ লাখ টাকা নিয়ে বিরোধের জের ধরেই মজিদ ও হাসানের নির্দেশে ওই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। দুইজনের মোবাইল ফোন ট্র্যাকিং করলে সব তথ্য পাওয়া যাবে বলেও দাবি করেন তারা।

মঙ্গলবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের হানিফ খান মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন জোড়া খুনে নিহত তুহিন হাওলাদার মিল্টনের স্ত্রী মাজেদা বেগম।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মিল্টনের খালাতো ভাই সাইফুল তারেক বলেন, এমএ মজিদ ও মো. হাসান আহম্মেদের নির্দেশে মিল্টন ও পারভেজকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। হত্যার পর আলামত নষ্ট করার জন্য ঘটনাস্থলে আগুন ধরিয়ে দেয়। ১২ অক্টোবর রাতে মজিদ ও হাসান আহাম্মেদের মোবাইল ফোনের কথোপকথন ট্র্যাকিং করলেই সব দিনের আলোর মতো পরিষ্কার হয়ে যাবে। ইতোমধ্যে কিলিং মিশনে থাকা জুম্মন ও মাহবুব গ্রেফতার হয়েছে। মাহবুব আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বাীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। তারা আদালতে জানিয়েছে এমএ মজিদের নির্দেশে মিল্টন ও পারভেজকে হত্যা করা হয়। কিন্তু ঘটনার ২৬ দিন অতিবাহিত হলেও ঘটনার মূলনায়ক এমএ মজিদ এবং হাসান আহম্মেদ রয়েছে ধরাছোঁয়ার বাইরে।

তিনি আরও বলেন, শুরুতেই সন্ত্রাসীদের ভয়ে মামলা করতে পারিনি। ১৪ অক্টোবর ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশের এসআই মাজহারুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলা দায়ের করে। কিন্তু সন্ত্রাসীরা ধারাবাহিকভাবে আমাদের পরিবার পরিজনদের হুমকি ধামকি দিয়ে যাচ্ছে।

গত ১২ অক্টোবর রাতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে কাশীপুর হোসাইনিনগর এলাকাতে খুন হন তুহিন হাওলাদার মিল্টন (৩৮) ও পারভেজ আহমেদ (৩০)। দুইজনই কাশীপুর হোসাইনি নগর এলাকাতে থাকতো। এ দুইজন সেখানে ‘ছায়াবৃত্ত শ্রমজীবী সমবায় সমিতি লিমিটেড’ চালাতো। মিল্টন ছিল এটার মালিক আর পারভেজ ছিল ম্যানেজার।

শাহাদাত/এমএএস/পিআর