ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

কুষ্টিয়ায় প্রবীণদের সময় কাটানোর আসরের উদ্বোধন

জেলা প্রতিনিধি | কুষ্টিয়া | প্রকাশিত: ০১:০০ পিএম, ২৪ নভেম্বর ২০১৭

প্রবীণরা সমাজের বোঝা নয়, আসুন প্রবীণদের সম্পদের পরিণত করি এই স্লোগানে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলায় প্রবীণদের জন্য ব্যতিক্রমধর্মী প্রবীণ উজ্জীবীত কেন্দ্র উদ্বোধন করা হয়েছে।

কুমারখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. শাহীনুজ্জামান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শুক্রবার বিকেলে বুজরুক বাঁখই সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতি লিমিটেডের উদ্যোগে এই ব্যতিক্রমধর্মী প্রবীণ উজ্জীবীত কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন।

ব্যতিক্রমধর্মী এই আয়োজনকে কেন্দ্র করে সমিতি কার্যালয় চত্বরে স্থানীয় বয়োবৃদ্ধ নারী-পুরুষ ও শিশুসহ শত শত মানুষ সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

বুজরুক বাঁখই সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতি লিমিটেড এর সভাপতি ও পরিবেশকর্মী আবুল হাসনাত চুন্নুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ সেলিম আহমেদ, উপজেলা সমবায় অফিসার আনিছুর রহমান ও নন্দলালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নওশের আলী বিশ্বাস ও বুজরুক বাঁখই সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতি লিমিটেডের সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান হান্নান।

আলোচনা শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. শাহীনুজ্জামান সমিতির কার্যালয় চত্বরে একটি চালতা গাছের চারা রোপন করেন এবং উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ সেলিম আহমেদ একটি জাম গাছের চারা রোপন করেন।

Kustia

বুজরুক বাঁখই সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতি লিমিটেডের উদ্যোগে সমিতি কার্যালয় চত্বরে ছায়াশীতল পরিবেশে গড়ে তোলা এই প্রবীণ উজ্জীবীত কেন্দ্রে এলাকার প্রবীণরা বিশ্রাম নেয়া, গল্প করা এমনকি খেলাধুলা করেও সময় কাটাতে পারবেন। গল্প করার জন্য একাধিক বাঁশের মাচা তৈরি করা হয়েছে। ব্যতিক্রমধর্মী এ উদ্যোগ প্রসঙ্গে সমিতির সভাপতি পরিবেশ কর্মী আবুল হাসনাত চুন্নু বলেন, গ্রামের বয়োবৃদ্ধ নারী-পুরুষদের জন্য একত্রিত হওয়া ও বিনোদনের জন্যে গ্রামীণ নানা ধরনের খেলার সামগ্রীর ব্যবস্থা থাকছে এখানে। এ ছাড়াও থাকছে জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকা পাঠের ব্যবস্থা। কেউ পত্রিকা পাঠ করতে না পারলেও তাদেরকে পত্রিকার সংবাদ পড়ে শোনানোর ব্যবস্থা থাকবে।

অন্যদিকে, সপ্তাহের নির্দিষ্ট দিনে বয়োবৃদ্ধদের জন্য গানের আসর ও গল্পের আসরের আয়োজন থাকবে। এ ছাড়াও থাকবে উঠতি শিশু-কিশোরদের জন্য ফুটবল, ক্রিকেট, হাডুডুসহ নানা ধরনের খেলার আয়োজন।

ব্যতিক্রমধর্মী এ আয়োজন প্রসঙ্গে আলাপকালে স্থানীয় একাধিক বয়োবৃদ্ধ জানান, আসলেই বৃদ্ধদের জন্য এটি একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ। বয়সের ভারে সবকিছু ছেড়ে বাড়িতে কিংবা ঘরে অলস বসে সময় কাটাতে হয়। কিন্তু এখন থেকে এখানে এসে অনেকে একত্রিত হওয়া যাবে এবং অতীতের স্মৃতিচারণসহ হাসি আনন্দের মধ্য দিয়ে সময় অতিবাহিত করা যাবে।

আল-মামুন সাগর/এমএএস/পিআর