কথা বলতে পারছেন শাহীন
নেপালের কাঠমান্ডুতে বিমান বিধ্বংসের ঘটনায় প্রাণে বেঁচে গেছেন মুন্সীগঞ্জের আরো এক সন্তান মো. শাহীন বেপারী। বর্তমানে তিনি কাঠমান্ডু মেডিকেল কলেজের সার্জারি বিভাগে চিকিৎসাধীন।
বুধবার দিবাগত রাতে কাঠমান্ডু মেডিকেল কলেজের সার্জারি বিভাগের চিকিৎসক মুকুন্দ রাজ জোশি এ খবর নিশ্চিত করেন।
শাহীন বেপারী লৌহজং উপজেলার কলমা ইউনিয়নের বান্দেগাঁও গ্রামের মৃত সাইফুল ইসলামের ছেলে। তিনি স্ত্রী-কন্যা নিয়ে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে বসবাস করেন। শাহীন বেপারী বাংলাদেশ শান্তি সংঘের সদস্য এবং ঢাকা সদরঘাট এলাকার বিক্রমপুর গার্ডেন সিটিতে মেসার্স করিম অ্যান্ড সন্স নামের একটি ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত। কোম্পানি থেকে বার্ষিক আনন্দভ্রমণে নেপাল যাচ্ছিলেন তিনি।
বাংলাদেশ শান্তি সংঘের সভাপতি আলহাজ মো. ইয়াছিন শেখ তার খোঁজ খবর নিচ্ছেন। তিনি জানান, বিমান দুর্ঘটনায় শাহীনের শরীরের ১৫ থেকে ২০ শতাংশ পুড়ে গেছে। এখন অবস্থা কিছুটা ভালো। ডাক্তার জানিয়েছেন এখন কথা বলতে পারছেন শাহীন।
বাংলাদেশ শান্তি সংঘের সাংগঠনিক সম্পাদক তাজুল ইসলাম রাকীব জানান, শাহীন বেপারী তার সুস্থতার জন্য সকলের কাছে দোয়া কামানা করেছেন। ইতোমধ্যে ছোটভাই চঞ্চল বেপারী বড়ভাই শাহীন বেপারীর খোঁজখবর নিতে নেপালে পৌঁছেছেন।
উল্লেখ্য, সোমবার (১২ মার্চ) নেপালের কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইউএস বাংলার উড়োজাহাজ (বিএস ২১১) বিধ্বস্ত হয়। এ ঘটনায় টঙ্গীবাড়ি উপজেলার কামারখাড়া ইউনিয়নের বেশনাল গ্রামের ইউনুছ বেপারির ছেলে ইয়াকুব আলী রিপনও প্রাণে বেঁচে যান।
ভবতোষ চৌধুরী নুপুর/এফএ/আরআইপি
সর্বশেষ - দেশজুড়ে
- ১ মসজিদে মাইকে ঘোষণা দিয়ে র্যাবের ওপর হামলা, নেপথ্যে ইয়াছিন বাহিনী
- ২ কুমিল্লায় যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি, বিদেশি পিস্তলসহ দুই যুবক আটক
- ৩ গাজীপুরে পিকআপের সঙ্গে সংঘর্ষে বাইকচালক নিহত
- ৪ প্রথমে অস্ত্র ছিনিয়ে র্যাব কর্মকর্তার পায়ে গুলি, পরে পিটিয়ে হত্যা
- ৫ সংস্কারের লক্ষ্যে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বলা সময়ের দাবি: আলী রীয়াজ