ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

বাল্যবিয়ে বন্ধ করে ছাত্রীর পড়ালেখার দায়িত্ব নিলেন ইউএনও

জেলা প্রতিনিধি | প্রকাশিত: ০৪:৪৩ পিএম, ৩০ মার্চ ২০১৮

নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে আবারও মাদরাসা শিক্ষা থেকে ঝরে পড়া এক শিক্ষার্থীর বাল্যবিয়ে বন্ধ হয়েছে। পরে ১৫ বছর বয়সী সেই ছাত্রীর লেখাপড়ার দায়িত্ব নিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফরিদা ইয়াসমিন। শুক্রবার সকালে এ বাল্যবিয়ে বন্ধ করা হয়েছে।

এ নিয়ে গত তিন মাসে বারহাট্টায় ১০টি বাল্যবিয়ে বন্ধ করেছেন বারহাট্টার উপজেলা নির্বাহী কমর্কর্তা। এর মধ্যে ঝরে পড়া দুই দরিদ্র মেয়ের বিয়ে বন্ধ করে তাদের লেখাপড়ার খরচ তিনি ব্যক্তিগতভাবে দিচ্ছেন। বর্তমানে ওই দুই মেয়ে পৃথক দুটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পড়াশুনা করছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, বারহাট্টা সদর ইউনিয়নে মাদরাসা থেকে ঝরে পড়া ওই ছাত্রীর বাল্যবিয়ের আয়োজন করছিল তার পরিবার। শুক্রবার দুপুরে তার বিবাহ সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল। বর একই ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামের আব্দুল আলীর ছেলে রাব্বীউল তপু (২৫)।

স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদা ইয়াসমিন লোকজন নিয়ে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আকস্মিকভাবে মেয়েটির বাড়িতে হাজির হন। প্রশাসনের উপস্থিতিতে পরিবারের লোকজন সটকে পড়ার চেষ্টা করেন। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দুই পরিবারকে ডেকে বাল্যবিয়ের কুফল বুঝান এবং প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত মেয়ে বিয়ে দেয়া যাবে না এমন শর্তে মুচলেকা নিয়ে বিয়ে বন্ধ করেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, মেয়েটি উপজেলার একটি মাদরাসা থেকে সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ে আর লেখাপড়া চালাতে পারেনি। তার পরিবার দরিদ্র। আমি তাকে বিদ্যালয়ে ভর্তি ও লেখাপড়ার ব্যবস্থা করে দেব।

তিনি জানান, গত তিন মাসে বারহাট্টা উপজেলায় ১০টি বাল্যবিয়ে বন্ধ করা হয়েছে। এর মধ্যে চলতি মাচ মাসেই এ নিয়ে চারটি বাল্যবিয়ে বন্ধ করা হয়েছে।

কামাল হোসাইন/আরএআর/পিআর

আরও পড়ুন