ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

রেললাইনে খণ্ড-বিখণ্ড সেই তরুণীকেও ধর্ষণের পর হত্যা

জেলা প্রতিনিধি | মৌলভীবাজার | প্রকাশিত: ০৭:৩৯ পিএম, ৩১ মার্চ ২০১৮

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া রেললাইনে খণ্ড-বিখণ্ড হওয়া সেই শিক্ষার্থীর পরিচয় মেলেছে। গত দু’দিন ধরে ফেসবুকে ওই শিক্ষার্থীর রেলে কাটাপড়ার ছবি ভাইরাল হয়। ওই শিক্ষার্থীর নাম তন্নি (২৪)। তিনি মৌলভীবাজার সরকারি কলেজের অনার্স ফাইনাল বর্ষের পরীক্ষার্থী ছিলেন।

গত ২৮ মার্চ মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলায় নগর রেল ক্রসিং এলাকা থেকে তন্নির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তন্নিকে ধর্ষণের পর রেললাইনে ফেলে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করছে পুলিশ। কারণ তন্নির পরনের বোরকা ও হাতে পরীক্ষার ফাইল রেললাইনের পাশেই পাওয়া গেছে।

শিক্ষার্থী তন্নি কুলাউড়া উপজেলার হাজীপুর ইউনিয়নের পাবই গ্রামের আনোয়ারুল হকের মেয়ে ও কমলগঞ্জের পতনউষার গ্রামের রাসেল আহমদের স্ত্রী।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (২৮ মার্চ) রাতে গোপালনগর রেল ক্রসিংয়ের পাশে রেললাইনের ওপর এক নারীর খণ্ড-বিখণ্ড মরদেহ ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে থাকার সংবাদ পাওয়া যায়। খবর পেয়ে প্রথমে কমলগঞ্জ থানা পুলিশ শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশ এবং শ্রীমঙ্গল রেলওয়ে পুলিশের উপস্থিতিতে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার মর্গে পাঠায়।

কমলগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) নজরুল ইসলাম জানান, এক নারীর দেহ, দুই পা এবং মাথা রেললাইনের ওপর পড়ে রয়েছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটিনাস্থলে গিয়ে তন্নির পরিচয় নিশ্চিত করেছে। এ সময় রেললাইনের পাশে তার ব্যবহৃত পরীক্ষার কাগজপত্র, বোরকা, পায়ের জুতা ও মোবাইলফোন পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ড বলেই ধারণা করছে পুলিশ।

তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে অনেকেই দাবি করেছেন, তন্নিকে পরিকল্পিতভাবেই ধর্ষণের পর রেললাইনে শুইয়ে দেয়া হয়েছে। কিন্তু কারা কেন এই কাজ করেছে সে বিষয়ে পুলিশ এখনো কিছু বলতে পারছে না। আসামিদের ধরতে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।

প্রসঙ্গত, হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে ধর্ষণের পর হত্যা করে কিশোরীর মরদেহ হাওরে ফেলে দেয়ার ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়। এর মধ্যে ওই ধর্ষককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

এএম/আরআইপি

আরও পড়ুন