কিশোরগঞ্জে মৈত্রী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান মাতালেন দুই বাংলার শিল্পীরা
‘এপার-ওপার মিলি প্রাণে প্রাণে’ স্লোগান নিয়ে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে সাংস্কৃতিক উন্নয়ন ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বৃদ্ধির লক্ষে কিশোরগঞ্জে এপার বাংলা- ওপার বাংলা মৈত্রী সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ ও ভারতের বিশিষ্ট শিল্পীরা এতে অংশ নেন।
মঙ্গলবার রাতে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে কিশোরগঞ্জ জেলা সাংস্কৃতিক মঞ্চ। অনুষ্ঠানের মিডিয়া পার্টনার ছিল কিশোরগঞ্জ টিভি জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে ভারত থেকে আসা শিল্পীদের ক্রেস্ট দিয়ে এবং উত্তরীয় পরিয়ে স্বাগত জানান কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী ও পুলিশ সুপার মাশরুকুর রহমান খালেদ। স্বাগত বক্তব্য দেন টিভি জার্নলিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট শাহ আজিজুল হক ও কলকাতার কণ্ঠশিল্পী সুবিমল জয়ন্তী।
কিশোরগঞ্জের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের শিল্পীদের নাচ, গান আর আবৃত্তি পরিবেশনার পর মঞ্চে আসেন ভারতের শিল্পীরা। তাদের পরিবেশনা হল ভর্তি দর্শকদের মাতিয়ে রাখে গভীর রাত পর্যন্ত। অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেন জেলা শিল্পকলা একাডেমির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অসীম সরকার বাধন।
ভারতীয় শিল্পী সুবিমল জয়ন্তী, অংশুমন চট্টোপাধ্যায়, অজয় কর, রাম ক্ষ্যাপা, অনুষ্কা, তপন চক্রবর্তীদের সুরের যাদু তন্ময় হয়ে উপভোগ করেন দর্শকরা।

অনুষ্ঠানে দুই বাংলার শিল্পীদের উপস্থিতিতে কেক কেটে কিশোরগঞ্জ টিভি জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করা হয়। কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) তরফদার মো. আক্তার জামীল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. নাজমুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এম এ আফজাল, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মাসউদসহ জেলার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
জেলা সাংস্কৃতিক মঞ্চের আহ্বায়ক শেখ ফরিদ আহমেদ জানান, বাংলাদেশ এবং কলকাতার সংস্কৃতি সারা বিশ্বে সমৃদ্ধ। দুই বাংলার শিল্পীদের পরিবেশনা জেলার সুস্থ সংস্কৃতির বিকাশে বিশেষ অবদান রাখবে।
নূর মোহাম্মদ/আরএআর/জেআইএম