ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

ইন্সপেক্টরের বিরুদ্ধে কনস্টেবল হত্যার অভিযোগ

জেলা প্রতিনিধি | প্রকাশিত: ০৮:০৫ পিএম, ১৯ এপ্রিল ২০১৮

পাবনার সাঁথিয়ায় পুলিশ পরিদর্শক (সশস্ত্র মিরপুর জোন) রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে এক পুলিশ সদস্যকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। হত্যার একমাস অতিবাহিত হলেও জড়িতদের গ্রেফতার করেনি পুলিশ।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সাঁথিয়া প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে উপজেলার গোপীনাথপুর গ্রামের নিহত পুলিশ সদস্য আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী খালেদা খাতুন এ অভিযোগ করেন।

তিনি বলেন, তার স্বামী আনোয়ার হোসেন গ্রামের বাড়ি সাঁথিয়া থাকা অবস্থায় গত ২৫ মার্চ পুলিশ পরিদর্শক (সশস্ত্র মিরপুর জোন) রেজাউল করিমসহ কয়েকজন মিলে তাকে তুলে নিয়ে গিয়ে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে।

খালেদা খাতুন বলেন, আমার স্বামী হত্যার প্রায় ১ মাস অতিবাহিত হলেও থানা পুলিশ রহস্যজনক কারণে মামলার প্রধান আসামি পুলিশ পরিদর্শক (সশস্ত্র মিরপুর জোন) রেজাউল করিম, পুলিশ সদস্য হৃদয় ও সোহেলসহ অন্যান্য এজাহারভুক্ত আসামিদের গ্রেফতার করছে না। হত্যা মামলার আসামি হয়েও তারা নিজ কর্মস্থলে বহাল তবিয়তে রয়েছেন।

তিনি কান্নাজড়িত কন্ঠে প্রশ্ন রেখে বলেন, একজন পুলিশ কর্মকর্তা হয়ে অন্য পুলিশকে কীভাবে হত্যা করতে পারে?

খালেদা খাতুন বলেন, আসামিরা মামলা তুলে নেবার জন্য আমাকে ও আমার পরিবারের সদস্যদের বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছেন। এজন্য আমার দুই শিশু সন্তানসহ প্রাণভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছি। তিনি স্বামী হত্যার ন্যায় বিচার দাবি করেন। ৎ

পাওনা টাকার বিরোধকে কেন্দ্র করে পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার গ্রামের বাড়িতে ছুটিতে আসা পুলিশ সদস্য আনোয়ারকে (ক/১২৭৪৩) ধরে নিয়ে বেড়া উপজেলার কাশীনাথপুরে নিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। তিনি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশে কর্মরত ছিলেন। ২৬ মার্চ সকালে স্থানীয় এক মেস থেকে আনোয়ারের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী খালেদা খাতুন বাদী হয়ে পুলিশ কর্মকর্তা রেজাউল করিম, হৃদয় ও সোহেলসহ ছয়জনের নাম উল্লেখ করে ২৭ মার্চ পাবনার আমিনপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

সংবাদ সম্মেলনে নিহত আনোয়ারের বৃদ্ধ বাবা ওহাব প্রাং, চাচাতো ভাই রেজাউল করিম, আনোয়ারের দুই শিশু সন্তান চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র মিতুল (৮) ও মায়শা (৪) উপস্থিত ছিলেন।

একে জামান/আরএআর/পিআর

আরও পড়ুন