মসজিদে হুজুরের কান্নায় মেলা বন্ধের প্রমাণ পেল কমিটি
ফাইল ছবি
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে নামাজ না পড়ানোর হুমকি দিয়ে গ্রামীণ বৈশাখী মেলা পণ্ড করার ঘটনায় তদন্তে এসেছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)। সেইসঙ্গে এ ঘটনার প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত কমিটি।
সোমবার দুপুরে আসকের ঢাকা কার্যালয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা হাসিবুর রহমান ঘটনাস্থলে যান। এ সময় অভিযুক্ত ভাটরা বাজার জামে মসজিদের ইমাম জয়নাল আবেদীনসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলেন।
গত ১৬ এপ্রিল জাগো নিউজে ‘মসজিদে হুজুরের কান্না, বন্ধ হয়ে গেলো মেলা’ শিরোনামে একটি তথ্যবহুল প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ভাটরা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে গত ২০-৩০ বছর ধরে বৈশাখী মেলার আয়োজন করা হয়। আশপাশের গ্রামসহ দূর-দুরান্ত থেকে মৌসুমে ব্যবসায়ীরা এতে অংশ নেয়।
গত বছরও ওই মেলা বসেছিল। এবছরও মেলা পরিচালনা কমিটি প্রস্তুতি গ্রহণ করে। কিন্তু ১৩ এপ্রিল শুক্রবার জুমার নামাজের আগে ভাটরা বাজার জামে মসজিদের ইমাম জয়নাল আবেদীন কান্না করে মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দেন।
এ সময় তিনি বলেছিলেন, আপনারা যদি এখানে (বিদ্যালয় মাঠে) মেলা করেন, তাহলে আমি আর নামাজ পড়াবো না। সেইসঙ্গে মসজিদে কান্না করে মুসল্লিদের কাছ থেকে সমর্থন আদায় করেন তিনি। এতে মেলার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে কিছু অতি উৎসাহী মুসল্লি মারমুখি হয়ে ওঠে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে আইন ও সালিশ কেন্দ্রের তদন্তকারী কর্মকর্তা হাসিবুর রহমান বলেন, আমি সরেজমিনে গিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে অভিযোগের সত্যতা পেয়েছি। এর মধ্যে কথা বলেছি মেলা পরিচালা কমিটি, ইউপি চেয়ারম্যান, থানার ওসি, ওই ইমাম ও এলাকার সাধারণ মানুষের সঙ্গে। এ নিয়ে প্রধান কার্যালয়ে প্রতিবেদন করা হবে।
কাজল কায়েস/এএম/এমএস