ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

নীলফামারীতে খেতমজুরদের বিক্ষোভ

জেলা প্রতিনিধি | নীলফামারী | প্রকাশিত: ০৬:০৪ পিএম, ৩১ মে ২০১৮

পল্লী রেশনিং চালু করে চাল, আটা, তেল, ডাল, লবণ, চিনি, ও কেরোসিনের স্বল্পমূল্যেসহ ৮ দফা দাবিতে নীলফামারীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে খেতমজুর সমিতি।

তাদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- বাজেটে খেতমজুর ও গ্রামীণ মজুরদের জন্য পর্যাপ্ত পৃথক বরাদ্দ রাখতে হবে, গ্রামীণ কর্মসূচি ও প্রকল্পের বরাদ্দ বাড়াতে হবে, দুর্নীতি অনিয়ম লুটপাট বন্ধ করতে হবে, কমিউনিটি ক্লিনিকে সেবার মান নিশ্চিতসহ ডাক্তার নার্স ও বিনামূল্যে ওষুধ দিতে হবে, খেতমজুরদের সন্তানদের দক্ষতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ দিয়ে দেশে বিদেশে চাকরির ব্যবস্থা করতে হবে, ১০০ দিনের কর্মসৃজন কর্মসূচি সব উপজেলায় চালু করতে হবে ও মজুরি বৃদ্ধি করতে হবে, খেতমজুরের সন্তানদের বিনাখরচে লেখাপড়া নিশ্চিত করতে হবে ও খাস খালাসি আইন করে এনজিও ঋণের অত্যাচার বন্ধ করতে হবে।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে শহরের কালিবাড়ীর কার্যালয় থেকে ব্যানার, লাল পতাকা নিয়ে বিক্ষোভ মিছিলটি শহর প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সামনে সমাবেশে মিলিত হয়। এ সময় জেলা প্রশাসক খালেদ রহীমের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবরে একটি স্মারকলিপি দেন নেতাকর্মীরা।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন- জেলা খেতমজুর সমিতির সভাপতি শ্রীদাম দাস, সিপিবির জেলা কমিটির সভাপতি আতিয়ার রহমান, সদর উপজেলা কৃষক সমিতির সভাপতি উদাস রায়, মোস্তাক আহমেদ, নূরজ্জামান জোয়ারদার, প্রিন্স চাকলাদার ও রমেন সিংহ প্রমুখ।

সমাবেশে বক্তরা বলেন- বাংলাদেশের জনসংখ্যার প্রায় ৬ কোটি মানুষ খেতমজুর ও গ্রামীণ মজুর। সংখ্যাগরিষ্ঠ এই জনগোষ্ঠী সমাজে সবচেয়ে শোষিত ও বঞ্চিত। পাশাপাশি খেতমজুর ও গ্রামীণ মজুরদের সারা বছর কাজের ন্যায্য মজুরির নিশ্চয়তা নেই। সেই সঙ্গে এনজিও ঋণের যাতাকলে সর্বস্বান্ত তারা।

খেতমজুর সমিতির সভাপতি বলেন, সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের বরাদ্দ কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীসহ দুর্নীতিবাজরা লুটেপুটে খায়। এসব বন্ধ করে আমাদের ন্যায্য অধিকার দিতে হবে।

জাহেদুল ইসলাম/এএম/জেআইএম

আরও পড়ুন