ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

পুলিশের বিরুদ্ধে ট্রেনের পরিচালককে লাঞ্ছনার অভিযোগ

ঈশ্বরদী (পাবনা) | প্রকাশিত: ০৫:৫৬ পিএম, ০৪ জুন ২০১৮

রেলওয়ের পাকশী বিভাগের আওতাধীন সান্তাহার-খুলনা তৈলবাহী ট্রেনের পরিচালক কামরুল ইসলামকে (২৮) চলন্ত ট্রেন থেকে নামিয়ে থানায় নিয়ে পুলিশ মারধর করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। রোববার রাতে ঈশ্বরদী-নাটোর রেলপথের নাটোর রেলওয়ে স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে। পরে পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ে দফতরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপে পুলিশ তাকে ছেড়ে দেয়।

এ ঘটনায় সোমবার দুপুর ১২টার দিকে ঈশ্বরদী রেলওয়ে জংশন স্টেশন সুপারিনটেনডেন্টের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন লাঞ্ছিত ট্রেন পরিচালক কামরুল ইসলাম। এ ছাড়াও মঙ্গলবার সকালে ঈশ্বরদী জংশন স্টেশনে বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দিয়েছেন বাংলাদেশ গার্ড কাউন্সিল, শ্রমিকলীগ ও ট্রেড ইউনিয়নের নেতারা।

পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের ট্রেন পরিচালক কামরুল ইসলাম বলেন, পাকশী বিভাগের আওতায় সান্তাহার-খুলনাগামী ডাউন-২ তৈলবাহী বিটিও ২৭টি ফাঁকা বগির ট্রেন নিয়ে সান্তাহার রেলওয়ে জংশন থেকে রাত ১১টায় নাটোর স্টেশনে প্রবেশ করার পর লাইন ক্লিয়ার না পাওয়ায় অপেক্ষা আমি অপেক্ষা করছিলাম। এ সময় নাটোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আবুল হাসনাতের নেতৃত্বে মাদকবিরোধী অভিযান চলছিল। এ সময় সাদা পোশাকে পুলিশ এসে প্রথমে কর্তব্যরত অবস্থায় আমাকে চড়-থাপ্পড় মেরে বলে- ট্রেন থেকে তেল চুরি করে বিক্রি করা হচ্ছে? এই বলে তাদের হাতে থাকা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হাতে-পায়ে সজোরে আঘাত করে।

কামরুল ইসলাম জানান, এ সময় তিনি পাকশী বিভাগীয় দায়িত্বরত কর্মকর্তার সঙ্গে পুলিশ সদস্যদের ফোনে কথা বলতে বললে তারা ফোনটি ভেঙে ফেলে তাকে থানায় নিয়ে যায়।

রেলওয়ে গার্ড কাউন্সিল ঈশ্বরদী শাখার যুগ্ম সম্পাদক ইকবাল মাহমুদ জানান, যেখানে কোনো গুরুত্বপূর্ণ ট্রেন মাত্র পাঁচ মিনিট বিলম্ব হলে ট্রেন পরিচালক ও স্টেশন মাস্টার সাসপেন্ড হয়, সেখানে নাটোর সদর থানা পুলিশের এই আচরণ ধৃষ্টতাপূর্ণ।

নাটোর সদর থানার ওসি (তদন্ত) শফিকুল ইসলাম জানান, রাতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আবুল হাসনাতের নেতৃত্বে মাদকবিরোধী অভিযান চলছিল। এ সময় দুই টোকাইকে পলিথিনে তেল নিয়ে যেতে দেখে পুলিশ। তাদের কাছে জানতে চাইলে তারা জানায়, গার্ড সাহেব নিতে বলেছে। এ ঘটনায় ট্রেন পরিচালককে থানায় নিয়ে আসা হয়েছিল। পরে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। তবে তাকে মারধরের বিষয়টি তিনি অস্বীকার করেন।

আলাউদ্দিন আহমেদ/আরএআর/এমএস

আরও পড়ুন