ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

মঞ্চ ছেড়ে চলে গেলেন আ. লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক নওফেল

জেলা প্রতিনিধি | গাজীপুর | প্রকাশিত: ০৭:২৪ পিএম, ২৪ জুন ২০১৮

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আচরণবিধি ভেঙে প্রচারণা চালিয়েছেন আওয়ামী লীগ নেতারা। এক পর্যায়ে সংবাদ সম্মেলন করতে এসে আচরণবিধি ভঙের প্রশ্নে সংবাদ সম্মেলন না করেই মঞ্চ ছেড়ে চলে যান আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।

ভোটের দুই দিন আগে বহিরাগতদের এলাকা ছাড়ার নির্দেশনা দিলেও সেটা না মেনে গাজীপুরে বেশ কিছু আওয়ামী লীগের নেতা রোববারও প্রচারণায় অংশ নেন। এ ব্যাপারে বিএনপির মেয়র প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকার বলেন নির্বাচনে রিটার্নিং অফিসারের কাছে বারবার অভিযোগ দিয়েও কোন ফল পাচ্ছি না।

রোববার দুপুরে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী মো. জাহাঙ্গীর আলমের ছয়দানাস্থ বাসভবনে সংবাদ সম্মেলনের আহবান করা হয়। সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দিয়ে প্রশ্ন আহ্বান করেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।

এসময় নির্বাচন কমিশনের নির্বাচনী আচরণবিধির বিষয়ে তার কাছে জানতে চান সাংবাদিকরা। নওফেল বলেন, এ ধরনের কোনো নির্দেশনার কথা আমি জানি না। তখন একজন স্থানীয় সাংবাদিক তার মোবাইল ফোন থেকে শনিবার রাত ১২টার পর বহিরাগতরা গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অবস্থান করতে পারবেন না মর্মে গাজীপুর জেলা প্রশাসকের স্বাক্ষরযুক্ত গণবিজ্ঞপ্তিটি দেখান।

তখন নওফেল বলেন, এখানে প্রচারণা চালাতে আসিনি। আপনাদের ডাকে মতবিনিময় করতে এসেছি। নওফেল বলেন, আমরা জানতাম ২৪ তারিখ রাত ১২টা পর্যন্ত এখানে প্রচার চালানো যাবে। নির্বাচন কমিশনের এই নির্দেশনার বিষয়ে আমি জানতাম না। আপনারা যেহেতু নজরে এনেছেন, এখন আর মতবিনিময় সভা চালু রাখা হবে না।

এর কিছুক্ষণ পর বিজিএমই-এর সাবেক সভাপতি ও ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র প্রার্থী আতিকুল ইসলামকে নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে আসেন আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম। সংবাদ সম্মেলন শুরুর আগে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী মিডিয়া সেল থেকে আচরণবিধির বিষয়টি জানানোর পর আতিকুল ইসলামসহ কয়েকজন বহিরাগত নেতা মঞ্চ ছেড়ে চলে যান।

এর আগে খুলনার নবনির্বাচিত মেয়র তালুকদার আবদুল খালেককে নিয়ে গাজীপুর শহরের বিভিন্ন এলাকায় প্রচার চালান আওয়ামী লীগের প্রার্থী জাহাঙ্গীর। বহিরাগতদের প্রবেশ নিষিদ্ধ হলেও তাদের নিয়ে প্রচার চালানোর বিষয়ে এক প্রশ্নে জাহাঙ্গীর বলেন, বহিরাগত তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ও মামলার আসামিরা এখানে থাকবে না, সেই দাবি আমারও ছিল। নির্বাচন কমিশন যদি এই আচরণবিধির বিষয়ে গণবিজ্ঞপ্তিটি চিঠি দিয়ে জানাতো তাহলে আমরা তা পালন করতাম। আমরা নির্বাচনী প্রচারে ব্যস্ত ছিলাম। তাই বিষয়টি নজরে আসেনি।

তিনি আরও বলেন, গাজীপুরে সব জেলার লোক থাকে। এটি একটি ব্যবসায়িক এলাকা। এখানে অনেক কারখানার মালিক আছেন, তারা আমার পক্ষে প্রচার চালিয়েছেন।

এ ব্যাপারে গাজীপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সঞ্জীব কুমার দেবনাথ সাংবাদিকদের জানান, এ ব্যাপারে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে গত ১২ জুন। আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তা রকিব উদ্দিন মন্ডলের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তিনি মোবাইল ফোনও ধরেননি।

আমিনুল ইসলাম/এমএএস/পিআর

আরও পড়ুন