ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

পানি ছুঁই ছুঁই করছে টাঙ্গাইল শহর রক্ষা বাঁধ

জেলা প্রতিনিধি | টাঙ্গাইল | প্রকাশিত: ০১:১৩ পিএম, ০১ জুলাই ২০১৮

বর্ষার শুরুতেই টাঙ্গাইলের পৌলী নদীতে ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে নদীর বাম তীরে ৬শ মিটার ও ডান তীরে ৮শ মিটার এলাকা এবং ৮-১০টি বাড়ি নদীতে চলে গেছে। ডান তীরের ভাঙন টাঙ্গাইল শহর রক্ষা বাঁধ ছুঁই ছুঁই করছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়কে লিখিতভাবে অবহিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

স্থানীয়রা জানায়, বেশ কিছুদিন যাবৎ পৌলী নদীতে বর্ষার পানি এসেছে। তবে গত এক সপ্তাহ ধরে নদীর দুই তীরে ভাঙন দেখা দিয়েছে। পৌলী নদীর বাম তীরে কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা পৌরসভা ও সহদেবপুর ইউনিয়ন এবং ডান তীরে সদর উপজেলার গালা ও ঘারিন্দা ইউনিয়নের আওতায়। নদীর বাম তীরে (উত্তরাংশে) অর্থাৎ এলেঙ্গা পৌরসভার অংশে ভাঙনের তীব্রতা সবচেয়ে বেশি।

গত এক সপ্তাহের ভাঙনে এলেঙ্গা পৌরসভার ফটিকজানী ও মহেলা গ্রামের ৬শ মিটার এলাকার আবাদি জমি এবং মহেলা গ্রামের সেকান্দর আলী ও তার ভাইদের ৮-১০টি বাড়ি নদীতে চলে গেছে। নদীর ভাঙন চারান-লক্ষীবাসা বিল উপ-প্রকল্পের বাঁধের খুব কাছাকাছি চলে এসেছে। বাঁধটি রাস্তা হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। বাঁধের পাশেই মহেলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মহেলা মাদরাসা, মহেলা ঈদগাঁ মাঠ ও গোরস্থান।

চারান-লক্ষীবাসা বিল উপ-প্রকল্পের বাঁধটি ভেঙে গেলে কালিহাতী উপজেলার পূর্বাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়ে ঘর-বাড়ি-ফসলি জমি, সরকারি-বেসরকারি স্থাপনা প্লাবিত হয়ে অপূরণীয় ক্ষতি সাধিত হবে।

কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা পৌরসভার ফটিকজানী গ্রামের মো. জয়নাল আবেদীন, বেলায়েত হোসেন, মহেলা গ্রামের মামুনুর রশিদ, আলতাফ মিয়াসহ অনেকেই জানান, শুকনো মৌসুমে নদীর তলদেশে বাংলা ড্রেজার বসিয়ে অবাধে বালু উত্তোলন করায় এখন নদী তীরের নিচে ধসে ভেঙে পড়ছে।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার গালা ইউনিয়নের পাছবেথইর গ্রামের জবেদা বেগম, আমীর আলী এবং পাছবেথইর গ্রামের বুজরত আলী, আব্দুল বারেকসহ অনেকেই জানান, নদীতে বাংলা ড্রেজার বসিয়ে অবাধে দিনরাত বালু উত্তোলন করায় এখন নদী তীরে ভাঙন দেখা দিয়েছে। গত কয়েকদিনের ভাঙনে নদী তীর বর্তমানে টাঙ্গাইল শহর রক্ষা বাঁধের খুব কাছে এসেছে।

jagonews24

টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শাজাহান সিরাজ জানান, তিনি ওই এলাকা পরিদর্শন করেছেন। ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাবনা পাঠিয়েছেন। প্রকল্প অনুমোদিত হলে ভাঙনরোধে কাজ করা হবে।

এ প্রসঙ্গে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক খান মো. নুরুল আমিন জানান, তিনি ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে পত্র দিয়েছেন।

আরিফ উর রহমান টগর/এমএএস/আরআইপি

আরও পড়ুন