ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

উল্লাপাড়া সওজ বিভাগই বেহাল দশায়

জেলা প্রতিনিধি | সিরাজগঞ্জ | প্রকাশিত: ০১:৩০ পিএম, ০৪ জুলাই ২০১৮

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের অফিস চত্বরে সবকিছুরই যেন বেহাল দশা। মূল্যবান বিভিন্ন মালামাল ও যন্ত্রপাতি দিনের পর দিন খোলা আকাশের নিচে পড়ে থাকলেও দেখার কেউ নেই। আবার অফিস চত্বরেই সওজ বিভাগের কর্মচারীদের অনেকে যে যার মতো ঘর তুলে বসবাস করছেন।

জানা গেছে, অফিসের ভেতরে বেশ কয়েকটি আবাসিক ভবন ও অফিস ভবন সংস্কারের অভাবে জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে থাকলেও সংস্কারের কোনো উদ্যোগ নেই। এমনকি ‘বসবাস করার পরিবেশ নেই’ অভিযোগ তুলে খোদ অফিসের প্রধান উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলীই তার নির্ধারিত আবাসিক ভবনে থাকেন না।

jagonews24

সড়ক ও জনপথ বিভাগের উল্লাপাড়া উপ-বিভাগীয় কার্যালয়টি স্টেশন ও বাসস্ট্যান্ড এলাকার কাছাকাছি নিজস্ব জায়গাতেই অবস্থিত। এখানে অফিস ভবন, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বসবাসের বেশ কয়েকটি পাকা আবাসিক ভবন রয়েছে।

এছাড়া এ অফিসের খোলা জায়গাতেই বছরের পর বছর ধরে মূল্যবান মালামাল ফেলে রাখা হয়েছে। এতে অনেক মালামাল সঠিক সংরক্ষণ না করায় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ট্রাক, রোলার মেশিন পড়ে থেকে থেকে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এ চত্বরে অনেকগুলো কাঠের গুল ফেলে রাখায় সেগুলোও রোদ-বৃষ্টিতে নষ্ট হচ্ছে।

এ অফিস এলাকাতেই কর্মচারীদের বসবাসের আবাসিক ভবন রয়েছে। এর পাশাপাশি কর্মচারীরা অফিসের জায়গাতেই তাদের ইচ্ছেমতো ঘর তুলে বসবাস করছেন।

তথ্যানুসন্ধানে আরও জানা যায়, সওজ বিভাগের সেকশন অফিসার, কার্য সহকারী, হেলপার, নিরাপত্তা প্রহরী মিলে ১৫ জন এই অফিস চত্বরের বিভিন্ন বাসভবনে বসবাস করছেন। এদের মধ্যে হায়দার আলী নামে একজন চাকরি থেকে অবসর নেয়ার পরও সরকারি বাসাতেই দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছেন।

jagonews24

উল্লাপাড়া সওজ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. জহরুল আলম জানান, তার জন্য নির্ধারিত বাসভবনটি বসবাসের অযোগ্য হওয়ায় তিনি অন্যত্র ভাড়া বাসায় বসবাস করছেন।

কর্মচারীদের ইচ্ছেমতো ঘর তুলে বসবাসের বিষয়ে তিনি বলেন, তারা কোনো প্রকার নিয়ম ছাড়াই বসবাস করছেন।

তিনি আরও বলেন, মালামাল সংরক্ষণের শেড না থাকায় সেগুলো খোলা অবস্থাতেই রাখা হয়েছে। একটি শেডের জন্য একাধিকবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছে।

ইউসুফ দেওয়ান রাজু/এফএ/আরআইপি

আরও পড়ুন