ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

দৌলতদিয়া ঘাট রক্ষায় চলছে জিও ব্যাগ ফেলার কাজ

জেলা প্রতিনিধি | রাজবাড়ী | প্রকাশিত: ১২:৫০ পিএম, ১৭ জুলাই ২০১৮

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ার ফেরি ঘাট ও ঘাট এলাকার ভাঙন রক্ষার্থে জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ (বালুর বস্তা) ফেলছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। পদ্মা নদীর পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ঘাট এলাকায় দেখা দিয়েছে ভাঙন। আর এ ভাঙন রক্ষার্থে দৌলতদিয়া ঘাটের প্রায় ১ কিলোমিটার এলাকায় এ জিও ব্যাগ ফেলে ডাম্পিংয়ের কাজ চলছে।

তবে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসীর অভিযোগ যে পরিমাণ জিও ব্যাগ ভাঙন রক্ষার্থে ফেলা হচ্ছে তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম।

এদিকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঘাট রক্ষার জন্য জিও ব্যাগ ফেলার কার্যক্রম নিয়মতি তদারকি করছেন উপজেলা প্রশাসন।

RAJBARI

দৌলতদিয়া ফেরি ঘাট রক্ষা প্রকল্পের ১ কিলোমিটার এলাকার ভাঙন রক্ষার্থে অস্থায়ী প্রতিরক্ষামূলক কাজ শুরু হয়েছে চলতি বছরের ১৪ জুন। যার ব্যয় ধরা হয়েছে ১ কোটি ৪০ লাখ টাকা এবং কাজটি বাস্তবায়ন করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আরিফ এন্টারপ্রাইজ। প্রতিদিন ট্রলারে করে প্রায় ৮০০ থেকে ৯০০ জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে নদী পাড়ের পানিতে।

সরজমিনে গিয়ে দেখাযায়, দৌলতদিয়ার ৬টি ফেরি ঘাট এলাকার প্রায় ১ কিলোমিটর অংশে ভাঙন রোধে জিও ব্যাগ ফেলছেন শ্রমিকরা। এ সময় উপজেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, উপজেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্মকর্তা ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি কাজের তদারকি করছেন।

এলাকাবাসী জানান, পদ্মার পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়েছে ভাঙন। কিন্তু ভাঙন রক্ষার্থে যে জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে তা খুবই কম। ঘাট এলাকায় ৬টি ফেরি ঘাটসহ হাজার হাজার মানুষের বসবাস। গত বছর ঘাট এলাকার অনেক অংশ নদী গর্ভে বিলিন হয়েছে।

RAJBARI

দৌলতদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. নুরুল ইসলাম মন্ডল জানান, দৌলতদিয়া ঘাট এলাকার ভাঙন রোধে বেশি বেশি করে জিও ব্যাগ ফেলা প্রয়োজন। এ এলাকায় গুরুত্বপূর্ণ ৬টি ফেরি ঘাট, ২টি স্কুল ও প্রায় এক হাজার পরিবারের বসবাস।

পানি উন্নয়ন বোর্ড গোয়ালন্দ শাখার উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. আরিফ সরকার জানান, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে দৌলতদিয়া ফেরি ঘাট রক্ষার জন্য মহাপরিচালকের দিক নির্দেশনায় ঘাট এলাকার ১ কিলোমিটার অংশে জিও ব্যাগ ফেলে জরুরি আপদকালীন কাজ করছেন।

গোয়ালন্দ উপজেলা সহকারী কমশিনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লা আল সাদীদ জানান, দৌলতদিয়া ঘাট এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক যে বালুর বস্তা ফেলার কার্যক্রম চলছে, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সেটি তিনি তদারকি করছেন। বালুর বস্তার সংখ্যা, ওজন ও নীরিক্ষণ করছেন। কাজ সুষ্ঠুভাবে চলছে। ঘাট রক্ষার্থে প্রতিদিন প্রায় ৮০০ বালুর বস্তা নদীতে ফেলা হচ্ছে। বালুর বস্তার পরিমাণ আরো বৃদ্ধি করা গেলে ঘাট রক্ষার্থে সুবিধা হবে।

রুবেলুর রহমান/এফএ/জেআইএম

আরও পড়ুন