বেনাপোল দিয়ে আরও ১০০ মহিষ আমদানি
বেনাপোল বন্দর দিয়ে আবারও আমদানি করা হলো শুল্কমুক্ত ১০০ মহিষের একটি চালান। বৃহস্পতিবার বিকেলে ছোট-বড় ১০০টি মহিষ আসে ভারতের পেট্রাপোল বন্দর হয়ে বেনাপোল বন্দরে।
মহিষগুলো হরিয়ানা থেকে আমদানি করা হয়েছে। আমদানি হওয়া মহিষ দেখতে বেনাপোল বন্দরে প্রচুর উৎসুক মানুষের সমাগম ঘটে। এর আগে গত ৯ মে প্রথম চালানে আরও ১০০টি মহিষ আমদানি করা হয়েছিল।
কাস্টমস ও বন্দর সূত্রে জানা গেছে, সিরাজগঞ্জের মিল্কভিটা কোম্পানি দুধ উৎপাদনের জন্য ৫০টি মহিষ ও ৫০টি মহিষের বাছুর (প্রজনন) আমদানির জন্য দরপত্র দিলে ঢাকার আমদানিকারক জেনটিক্স ইন্টারন্যাশনাল মহিষগুলো ভারত থেকে আমদানি করে। ভারতের রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান হলো জেকে এন্টারপ্রাইজ।
বেনাপোলের হটলাইন কার্গো ইন্টারন্যাশনাল নামের একটি সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট আমদানিকৃত মহিষগুলো বেনাপোল কাস্টমস হাউজ থেকে ছাড় নেয়ার জন্য বিল অব এন্ট্রি দাখিল করেন। মহিষের আমদানি মূল্য ঘোষণা দেয়া হয়েছে ৮২ হাজার ২২৫ মার্কিন ডলার। যার বাংলাদেশি টাকায় মূল্য দাঁড়ায় ৭০ লাখ ২০ হাজার ৯৮৫ টাকা। এই মহিষের কোনো আমদানি শুল্ক নেই। তবে প্রাণিসম্পদ বিভাগের ছাড়পত্র নিতে হবে।
শার্শা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা জয়দেব কুমার সিংহ জানান, মহিষগুলো সিরাজগঞ্জের মিল্ক ভিটা কারখানায় নিয়ে যাওয়া হবে। প্রাথমিকভাবে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে মহিষগুলো ভালো দেখা গেছে। প্রাণিসম্পদ বিভাগের সরকারি শুল্ক আদায় করে যথাযথভাবে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে।
আমদানিকারক জেন্টাক ইন্টারন্যাশনালের অফিস সহকারী তরিকুল ইসলাম জানান, মহিষগুলো ভারতের হরিয়ানা প্রদেশ থেকে কেনা হয়েছে। মিল্কভিটা কোম্পানিকে এসব মহিষ সরবরাহ করা হবে। দেশে দুধ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা ও কৃষি খামারে প্রজননের জন্য এসব মহিষ কাজে লাগানো হবে।
বেনাপোল চেকপোস্ট কাস্টমস কার্গো শাখার রাজস্ব কর্মকর্তা হারুন আর রশিদ ১০০ মহিষ আমদানির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মহিষগুলো বেনাপোল কাস্টমস হাউজ থেকে খালাস নিতে হটলাইন কার্গো ইন্টারন্যাশনাল নামের একটি সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট কাগজপত্র দাখিল করেছেন। তা পরীক্ষা নিরীক্ষা করে শুল্কায়ন করার পর খালাস দেয়া হবে।
মো. জামাল হোসেন/এএম/পিআর