ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

মেয়রের স্বাক্ষর জাল, দুই কর্মচারীসহ আটক ৩

জেলা প্রতিনিধি | লালমনিরহাট | প্রকাশিত: ০৯:৪৪ পিএম, ০৬ আগস্ট ২০১৮

লালমনিরহাট পৌরসভার মেয়র রিয়াজুল ইসলাম রিন্টুর স্বাক্ষর জাল করার দায়ে জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদফতরের দুই কর্মচারীসহ তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।

সোমবার বিকেলে লালমনিরহাট জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে তাদের আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন- জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদফতরের অফিস সহায়ক খলিলুর রহমান (৪০) ও মমিনুল ইসলাম (৪৫) এবং তাদের সহযোগী শহরের তালুক খুটামারা এলাকার আমিনুল ইসলামের স্ত্রী সুমি বেগম (৩০)।

জানা গেছে, জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদফতর পরিচালিত কর্মজীবী ল্যাকটেটিং মাদার সহায়তা তহবিল কর্মসূচির আওতাধীন লালমনিরহাট পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে ১ হাজার ৫০ জনকে ভাতা প্রদানের জন্য ১ আগস্ট থেকে আবেদন ফরম বিতরণ শুরু করা হয়। আবেদনকারী পৌরসভার বাসিন্দা হিসেবে মেয়রের নাগরিকত্বের সদনপত্রসহ অন্যান্য কাগজপত্র সংযুক্ত করতে হয়।

এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে মহিলা বিষয়ক অধিদফতরের অফিস সহায়ক খলিলুর রহমান ও মমিনুল ইসলাম সুমি বেগমের মাধ্যমে হতদরিদ্র মহিলাদের সরকারিভাবে মোটা অংকের টাকার প্রলোভন দিয়ে প্রত্যেকের কাছ থেকে ৩-৪ হাজার টাকার হাতিয়ে নেন। সেই সঙ্গে পৌর মেয়রের স্বাক্ষর, সিল ও প্যাড জাল করা ফরম সরবরাহ করেন।

পৌর মেয়র রিয়াজুল ইসলাম রিন্টু বলেন, আমার স্বাক্ষর জাল করে জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদফতর কর্মজীবী ল্যাকটেটিং মাদার সহায়তা তহবিল কর্মসূচির ফরম পূরণ করা হচ্ছিল। কাউন্সিলররা তাদের হাতেনাতে ধরে পুলিশে দিয়েছেন।

জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সাবরিনা লাকী বলেন, পৌর মেয়রের স্বাক্ষর জাল বাইরে হয়েছে। যদি আমার অফিসের কোনো কর্মচারী এর সঙ্গে জড়িত থাকে তাহলে আমার কাছে অভিযোগ করলে আমি ব্যবস্থা নেব।

এ ব্যাপারে লালমনিরহাট সদর থানা পুলিশের ওসি মাহফুজ আলম বলেন, জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদফতরে পৌর মেয়রের স্বাক্ষর জালের ঘটনায় অফিসের দুই কর্মচারীকে নজরদারিতে রাখা হয়েছে। সেইসঙ্গে বহিরাগত সুমি নামক একজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

রবিউল হাসান/এএম/আরআইপি

আরও পড়ুন