ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

বর্ষা মৌসুমে টমেটো চাষ!

জেলা প্রতিনিধি | পটুয়াখালী | প্রকাশিত: ০১:০১ পিএম, ১১ আগস্ট ২০১৮

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি) উদ্ভাবিত টমেটো এখন বর্ষা মৌসুমেও চাষ করে সফলতা মিলেছে। মাঠ পর্যায়ে কৃষকরা এই পদ্ধতিতে চাষাবাদ করলে অধিক লাভবান হওয়া সম্ভব বলে মনে করছেন বিজ্ঞানিরা। পটুয়াখালী আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্রে পরীক্ষামূলকভাবে এবার এই টমেটো চাষ করা হয়েছে। তবে কৃষক পর্যায়ে এই পদ্ধতি ছড়িয়ে দিতে ব্যাপক প্রচার প্রচারণা প্রয়োজন বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

ভোজন রসিক বাঙালির খাদ্য তালিকায় সারা বছরই টমেটোর একটি অবস্থান থাকে। আর টমেটোর ছালাদ কিংবা সস ছাড়া মুখরোচক খাবার তৈরি যেন অসম্ভব। তাইতো বর্ষা মৗসুমে এই টমেটোর দাম থাকে আকাশচুম্বী। প্রতি কেজি টমেটো এখন খুচরা বাজারে শত টাকার উপরে বিক্রি হচ্ছে। শীতকালীন ফসল হওয়ায় দক্ষিণাঞ্চলে বর্ষা মৌসুমে টমেটো উৎপাদনের কোনো সুযোগ থাকে না। ফলে জেলার বাইরে থেকেই আমদানি করতে হয় এ সবজি। তবে সারা বছর চাহিদা পূরণ করতে এবার পটুয়াখালীর লেবুখালীতে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটে এই টমেটো চাষ করা হয়েছে।

Patuakhali1

গবেষণা কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ইফতেখার মাহমুদ বলেন, বারি উদ্ভাবিত তিনটি জাতের টমেটো চাষ করে এ অঞ্চলে অনেক ভালো ফলন পাওয়া যাচ্ছে। আর কৃষকরা মাঠ পর্যায়ে যদি যথাযথ পদ্ধতি ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে চাষাবাদ করেন তাহলে অনেক বেশি লাভবান হওয়া সম্ভব বলে মনে করেন কৃষি বিজ্ঞানীরা।

পটুয়াখালী আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম বলেন, একটু উঁচু জায়গায় পলিথিনের ছাউনি ও উঁচু কান্দি তৈরি করে টমেটো চাষ করলে গাছপ্রতি গড়ে ১৮ থেকে ২০টি এবং হেক্টর প্রতি ৪০ থেকে ৪২ টন পর্যন্ত ফলন পাওয়া সম্ভব।

Patuakhali1

পটুয়াখালী আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এই টমেটো যেমন স্থানীয়দের পুষ্টির চাহিদা পূরণ করবে তেমনি বাড়তি ফসল বিদেশেও রফতানি করা সম্ভব হবে।

মাটিতে টমেটো চাষ করার পাশপাশি হাইড্রোপনিক পদ্বতিতেও মাটি ছাড়া সারা বছর টমেটো চাষ করা নিয়ে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি। ইতোমধ্যে সফলতাও মিলেছে বলে জানান বিজ্ঞানীরা।

মহিব্বুল্লাহ্ চৌধুরী/এফএ/এমএস

আরও পড়ুন