অপহরণের ৩ দিন পর এনজিও কর্মী উদ্ধার
ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় লক্ষ্মী রানী (২৯) নামে এক এনজিও কর্মীকে অপহরণের ৩ দিন পর উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার ভোরে পার্শ্ববর্তী নগরকান্দা উপজেলার কাইচাইল ইউনিয়নের রামপাশা গ্রাম থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় কৃষ্ণপদ সাহা নামে একজনকে আটক করা হয়েছে।
লক্ষ্মী রানী ঝিনাইদহ জেলার কোটচাঁদপুর উপজেলার ঘাঘা গ্রামের মৃত শ্রী রাম চন্দ্র হালদারের মেয়ে এবং সালথা উপজেলা বল্লভদি ইউনিয়নের ফুলবাড়িয়া বাজার শাখার ব্র্যাকের মাঠকর্মী।
পুলিশ জানায়, লক্ষ্মী রানী সালথা উপজেলার বল্লভদি ইউনিয়নের ফুলবাড়িয়া বাজার শাখার ব্র্যাক মাঠকর্মী হিসেবে ৮ মাস আগে যোগদান করেন। তিনি ওই গ্রামের শাহীনের বাড়িতে ভাড়া থাকেন। গত শুক্রবার রাত আনুমানিক ২টার দিকে লক্ষ্মী রানীকে তার বাসার দরজা ভেঙে অপহরণ করে নিয়ে যায় কৃষ্ণপদ সাহাসহ তার সহযোগীরা। এ বিষয়ে লক্ষ্মী রানীর ভাই সাধন কুমার হালদার রোববার সকালে সালথা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে সালথা থানা পুলিশ সোমবার ভোরে নগরকান্দা উপজেলার রামপাশা গ্রাম থেকে লক্ষ্মী রানীকে উদ্ধার করে। এ সময় ফুলবাড়িয়া গ্রামের মৃত জতীন্দ্র নাথ সাহার ছেলে কৃষ্ণপদ সাহাকে আটক করা হয়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সালথা থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আতিয়ার রহমান বলেন, এ ঘটনার পরপরই লক্ষ্মী রানীর ভাই সাধন কুমার হালদার বাদী হয়ে সালথা থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন। পরে অভিযান চালিয়ে লক্ষ্মী রানীকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত লক্ষ্মী রানীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
সালথা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. দেলোয়ার হোসেন খান বলেন, এনজিও কর্মী লক্ষ্মী রানী অপহরণের ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে। এর সঙ্গে জড়িত অন্যদেরকেও দ্রুত আটক করা হবে। আটককৃত কৃষ্ণপদকে সোমবার দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
আরএ/পিআর