ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

আমাদের ইচ্ছা থাকলেও উপায় নেই : শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

জেলা প্রতিনিধি | রাজবাড়ী | প্রকাশিত: ০৫:০৯ পিএম, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮

রাজবাড়ী-১ আসনের সংসদ সদস্য শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলী বলেছেন, রাজবাড়ীর বিভিন্নস্থানে পদ্মা নদীর যে ভাঙন দেখা দিয়েছে তা প্রতিরোধে স্থায়ীভাবে নদী শাসনের জন্য বাঁধ নির্মাণ করা হবে। তবে আগামী সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর তা করা হবে। কারণ এ সরকারের মেয়াদকালে আমাদের ইচ্ছা থাকলেও উপায় নেই।

শুক্রবার দুপুরে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দেবগ্রাম ইউনিয়নের নদী ভাঙন এলাকা পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামী নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে রাজবাড়ীতে এনে আপনাদের সব দুঃখ দুর্দশার কথা তুলে ধরা হবে। আপনাদের কথা দিতে হবে- আগামী নির্বাচনে নৌকায় ভোট দিয়ে আমাদের বিজয়ী করবেন।

তিনি আরও বলেন, ছোট ভাকলা ইউনিয়নের ৭০০ জন ও দেবগ্রামে ১৫০০ জন অসহায় দরিদ্রকে চাল দেয়া হবে এবং নদী ভাঙনে যাদের বসতবাড়ি ভেঙেছে তাদের ঢেউটিন ও নগদ টাকা দেয়া হবে। দ্রুত বাঁধ নির্মাণ ও ভাঙন রোধের বিষয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলবেন বলে প্রতিমন্ত্রী জানান।

এ সময় জেলা প্রশাসক মো. শওকত আলী, পুলিশ সুপার আসমা সিদ্দিকা মিলি, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রেবেকা খান, গোয়ালন্দ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এবিএম নুরুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু নাসার উদ্দিন, দেবগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আতর আলী সরদার, দৌলতদিয়ার চেয়ারম্যান মো. নুরুল ইসলাম মন্ডল, ছোট ভাকলার চেয়ারম্যান মো. আমজাদ হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

নদী ভাঙন এলাকা পরিদর্শনের আগে দেবগ্রাম ইউনিয়নবাসী ইউপি চেয়ারম্যান মো. আতর আলী সরদারের নেতৃত্বে ভাঙন রোধের দাবিতে নদীর পারে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে।

উল্লেখ্য, পদ্মা নদীর ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে জেলা সদরের মিজানপুর, পাংশার হাবাসপুর, কালুখালীর রতনদিয়া, গোয়ালন্দের ছোট ভাকলা, দেবগ্রাম ও দৌলতদিয়া ইউনিয়নে। গত এক সপ্তাহের ভাঙনে জেলা সদরের মিজানপুরের মহাদেবপুর ও গোদার বাজার এবং গোয়ালন্দের ছোট ভাকলার পাঁচটি গ্রাম ও দেবগ্রামে তিনটি ওয়ার্ডের হাজার হাজার বসতবাড়ি ও ফসলি জমি নদী গর্ভে চলে গেছে। ভাঙন আতঙ্কে রয়েছে নদী তীরবর্তী এলাকাবাসী।

রুবেলুর রহমান/আরএআর/পিআর

আরও পড়ুন