ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

‘মন্ত্রীরা এ সড়কে যাতায়াত করে না, করলে বুঝতো’

জেলা প্রতিনিধি | পটুয়াখালী | প্রকাশিত: ১২:২১ পিএম, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮

পটুয়াখালী-গলাচিপা আঞ্চলিক মহাসড়কের কোথাও কার্পেটিং কোথাও আবার ইট, বালু, খোয়া উঠে গেছে। সড়কে ছোট-বড় অসংখ্য গর্ত সৃষ্টি হওয়ায় চলাচলের অনুপোযোগী হয়ে পড়েছে। ফলে এই সড়কে যানবাহন প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। আঞ্চলিক এ মহাসড়কটি হরিদেবপুর-শাখারিয়া পর্যন্ত ১৬ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য সড়কটি গলাচিপা উপজেলার বাসিন্দাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। গলাচিপার জনগণের এবং মালামাল পরিবহনের পটুয়াখালী-বরিশাল-ঢাকার সঙ্গে যোগাযোগের সড়ক এটি।

পটুয়াখালী সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্র জানায়, হরিদেবপুর-শাখারিয়া পর্যন্ত ১৬ কিলোমিটার সড়কটি ২০০৮ সালে নির্মাণ কাজ শুরু হয়ে ২০১০ সালে শেষ হয়। অথচ তিন বছর অতিক্রম হতে না হতে সড়ক ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। গত ১২ সেপ্টম্বর বুধবার সড়ক মজবুতিকরণসহ সাভিসিং বাজার অংশ সমূহ, জেলা মহাসড়ক সমূহ যথাযথ মান ও প্রসস্থ উন্নীতকরণ প্রকল্পের (বরিশাল জোন) আওতায় ৫১ কোটি টাকা ব্যয়ে টেন্ডার গ্রহণ করা হয়েছে।

Patuakhali

পটুয়াখালী-গলাচিপা সড়কে যাতায়াতকারী লাভু সিকদার, জসিম খাঁ জানান, সড়কটির দুরাবস্থার কারণে আমাদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। মন্ত্রী-সরকারি কর্মকর্তারাতো এই সড়কে যাতায়াত করে না। করলে তারা বুঝতো।

Patuakhali

বাসচালক আব্দুল কাদের ও মোটরসাইকেল চালক রনি মৃধা জানান, হরিদেবপুর-শাখারিয়া সড়কে ছোট-বড় অসংখ্য গর্ত হওয়ায় গলাচিপায় পৌঁছায়তে অনেক সময় লাগে যায়। রাস্তার এই অবস্থার কারণে যানবাহনের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ বিকল হয়ে পড়ে। তাছাড়া সড়কে বেহাল অবস্থার কারণে যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে জানান তারা।

Patuakhali

এ বিষয়ে পটুয়াখালী সড়ক ও জনপদ বিভাগের নিবার্হী প্রকৌশলী মীর নিজাম উদ্দিন বলেন, দরপত্র গ্রহণ করা হয়েছে। টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ হলে দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্মাণ কাজ শুরু হবে।

মহিব্বুল্লাহ্ চৌধুরী/আরএ/জেআইএম

আরও পড়ুন