ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

সেতাবগঞ্জ চিনিকলে আগুন, দুটি তদন্ত কমিটি গঠন

জেলা প্রতিনিধি | দিনাজপুর | প্রকাশিত: ০৫:০৯ পিএম, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮

দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলায় সেতাবগঞ্জ চিনিকলে পাওয়ার হাউজে অগ্নিকাণ্ডে চারটি প্যানেল বোর্ডে পুড়ে গেছে। এতে করে কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ ঘটনার পর দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। একটি কমিটির অগ্নিকাণ্ডের কারণ নিরুপন এবং আরেক কমিটি অগ্নিকাণ্ডে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা নিরুপন করবেন।

জানা যায়, সোমবার সন্ধ্যার দিকে চিনিকলের পাওয়ার হাউস মূল প্যানেল বোর্ডে আগুনের সুত্রপাত হয়। এসময় আগুনের ধোয়ায় অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে পড়লে শ্রমিক-কর্মচারীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। বিষয়টি জানতে পেরে মিল কর্তৃপক্ষ দ্রুত সেতাবগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসকে খরব দিলে তারা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এর আগেই পাওয়ার হাউসের মূল প্যানেলের চারটি বোর্ডের মধ্যে তিনটি সম্পূর্ণ পুড়ে যায় এবং বাকি বোর্ডটি আংশিক নষ্ট হয়।

সেতাবগঞ্জ চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আল ইমরানা, পাওয়ার হাউস ইনচার্জ ইঞ্জিনিয়ার মো. আতাউর রহমান ও ফোরম্যান বারেক মোল্লা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

সেতাবগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের টিম লিডার মো. মোসলেমউদ্দীন জানান, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে।

শ্রমিক কর্মচারীরা জানায়, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে।

অগ্নিকাণ্ডের সত্যতা নিশ্চিত করে সেতাবগঞ্জ চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আল ইমরানা জানান, ঘটনা তদন্তে দুটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। একটি কমিটির অগ্নিকাণ্ডের কারণ নিরুপন এবং আরেকটি কমিটি অগ্নিকাণ্ডে কী পরিমাণ ক্ষয় ক্ষতি হয়েছে তা নিরুপন করবেন। কিন্তু কী কারণে আগুল লাগল তা জানাতে পারেননি তিনি।

অগ্নিকাণ্ডের কারণ নিরুপনে গঠিত তিন সদস্যের কমিটিতে জিএস (কৃষি) দেবাশীষ রায়কে প্রধান এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এবং কি কি পুড়ে গেছে তা নিরুপণের জন্য চার সদস্যের কমিটিতে মেকানিক্যাল শাখার প্রকৌশলী মনির হোসেনকে প্রধান করা হয়েছে। আগামী ৭৩ ঘণ্টার মধ্যে দুই কমিটিকে রিপোর্ট দেয়ার জন্য বলা হয়েছে।

তদন্ত কমিটির দুটির প্রধান জিএস (কৃষি) দেবাশীষ রায় ও মেকানিক্যাল শাখার প্রকৌশলী মনির হোসেন জানান, তারা তদন্ত কাজ শুরু করেছেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই রিপোর্ট প্রদান করতে পারবেন।

এমদাদুল হক মিলন/আরএ/পিআর

আরও পড়ুন