ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

ভোগান্তির সঙ্গে গুনতে হচ্ছে বাড়তি টাকা

জেলা প্রতিনিধি | পটুয়াখালী | প্রকাশিত: ০৯:৫০ এএম, ২৮ অক্টোবর ২০১৮

সংসদে সদ্য পাস হওয়া ‘সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮’র কয়েকটি ধারা সংশোধনসহ ৮ দফা দাবিতে সারাদেশের মতো পটুয়াখালীতেও পরিবহন ধর্মঘট চলছে।

রোববার সকাল ৬টা থেকে ৪৮ ঘণ্টার পরিবহন ধর্মঘট শুরু হয়। ফলে পটুয়াখালী বাস টার্মিনাল থেকে বাস-মিনিবাসসহ দূরপাল্লার কোনো বাস ছেড়ে যায়নি। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা।

সরেজমিনে দেখা গেছে, পরিবহন ধর্মঘটের কারণে দুর্ভোগে পড়েছেন এ অঞ্চলের হাজার হাজার মানুষ। ফলে তারা রিকশা, অটোরিকশা, টমটম ও মটরসাইকেলে ঝুঁকি নিয়ে গন্তব্যে যাচ্ছেন।

সবুজবাগ এলাকার বাসিন্দা ফরিদ খান জানান, ধর্মঘটের কারণে তিনি বরিশাল থেকে আসতে পথে পথে ভোগান্তিতে পড়েন। অনেক কষ্টে মাহিন্দ্রায় করে বরিশাল থেকে লেবুখালে আসেন। পরে সেখান থেকে অটোরিকশায় করে শহরের চৌরাস্তায় আসেন। ভোগান্তিতো আছেই সঙ্গে বাড়তি টাকাও গুনতে হচ্ছে।

পুরান ঢাকার বাসিন্দা দিপ্তি তালুকদার বলেন, ঢাকা থেকে লঞ্চে করে পটুয়াখালী এসেছেন। কুয়াকাটা ঘুরতে যাবেন। কিন্তু বাস টার্মিনাল থকে কোনো বাস ছেড়ে যায়নি।

এদিকে পর্যটক পরিবহনের চালক মো. বাবুল জানান, প্রতিমুহূর্তে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আমরা রাস্তায় গাড়ি চালাই। এরপর আবার বিচারের মাধ্যমে মৃত্যুর ঝুঁকি। এ কারনে নেতারা ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে। তাই আমাদের লাভের জন্য আমরা ধর্মঘট পালন করছি।

বাস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মনিরুল আলম স্বপন জানান, কেন্দ্র ঘোষিত দেশব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে আমরা পরিবহন শ্রমিকরা কর্মবিরতি পালন করছি।

পটুয়াখালী বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সভাপতি রিয়াজ মৃধা জানান, শ্রমিকরা ইচ্ছা করে কোনো দুঘটনা ঘটায় না। তাদের দাবি মেনে নিলে পুনরায় বাস চলাচল শুরু হবে।

এ বিষয়ে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক মো. মতিউল ইসলাম চৌধুরী জানান, সড়ক পরিবহনের মহাসড়ক বিভাগ বিষয়টি দেখভাল করে। তারা বিষয়টি দেখছেন।

মহিব্বুল্লাহ্ চৌধুরী/এফএ/পিআর

আরও পড়ুন