ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

নিজস্ব প্রার্থীর নামেই বিএনপি নেতার মামলা

জেলা প্রতিনিধি | মুন্সীগঞ্জ | প্রকাশিত: ০৮:২৭ এএম, ৩০ নভেম্বর ২০১৮

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী বাজারে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় কেন্দ্রীয় বিএনপির কোষাধ্যক্ষ ও সাবেক স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহার বিরুদ্ধে টঙ্গিবাড়ী থানায় মামলা করেছেন উপজেলা শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল হান্নান মল্লিক। মিজানুর রহমান সিনহা মুন্সীগঞ্জ-২ আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী।

বুধবার টঙ্গিবাড়ী উপজেলায় মুন্সীগঞ্জ-২ আসনের মনোনয়নপত্র দাখিলকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ওইদিন রাতেই ১৬৩ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো দুই-তিনশজনকে আসামি করে মামলা করা হয়।

পৃথক তিনটি মামলার মধ্যে একটি মামলায় আসামি করা হয় মুন্সীগঞ্জ-২ আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় কমিটির কোষাধ্যক্ষ মিজানুর রহমান সিনহাকে।

টঙ্গিবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আওলাদ হোসেন জানান, সংঘর্ষের ঘটনায় উপজেলা শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল হান্নান মল্লিক বাদী হয়ে মামলা করেন। এ মামলায় মিজানুর রহমান সিনহাকে আসামি করা হয়েছে।

এদিকে বিস্ফোরক, দেশি অস্ত্র ব্যবহার ও পুলিশকে হেনস্তা করায় পুলিশের পক্ষ থেকে একটি মামলা করা হয়। এই মামলার বাদী হয়েছেন টঙ্গিবাড়ী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মুজাহিদ। এই মামলায় ১০ জনকে আটক এবং আটটি ককটেল উদ্ধার দেখানো হয়েছে।

এ বিষয়ে মিজানুর রহমান সিনহা জানান, সংঘর্ষের ঘটনায় আমার পক্ষের যারা আহত হয়েছে তারা একটি মামলা করেছে মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি রিপন মল্লিকের বিরুদ্ধে। আর আমার বিরুদ্ধে যে মামলা করা হয়েছে তা আমি আইনিভাবে মোকাবেলা করব।

মিজানুর রহমান সিনহা আরো জানান, বুধবার উপজেলার কাছাকাছি যাওয়ার পথে আচমকা আমাদের উপর হামলা চালানো হয়। আর সংঘর্ষের সময় তো আমরা নিজেরাই পুলিশের নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে ছিলাম।

তিনি বলেন, এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। যাতে আসল অপরাধীরা পার না পায়। আমি বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে মুন্সীগঞ্জ-২ আসনে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব। আর জয়ের ব্যাপারে আমি শতভাগ নিশ্চিত। তাই আওয়ামী লীগের লোকজনের সঙ্গে মিলে আমার বিরোধীরা আমার লোকজনের ওপর হামলা চালায়।

তবে টঙ্গিবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, মিজানুর রহমান সিনহার পক্ষে থেকে একটি মামলা করার কথা রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো মামলা করতে কেউ আসেনি।

ভবতোষ চৌধুরী নুপুর/এফএ/এমএস

আরও পড়ুন