ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

সিরাজগঞ্জে সাবেক মন্ত্রীসহ ১৮ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল

জেলা প্রতিনিধি | সিরাজগঞ্জ | প্রকাশিত: ১১:৪৫ পিএম, ০২ ডিসেম্বর ২০১৮

সিরাজগঞ্জের ৬টি সংসদীয় আসনে মোট ৫১ প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। যাচাই বাছাই শেষে সাবেক দুই প্রতিমন্ত্রীসহ ১৮ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। বাকি ৩৩ জনের মনোনয়ন বৈধ বলে ঘোষণা করেছে জেলা রিটার্নিং অফিসার। রোববার সন্ধ্যায় সহকারী রিটার্নিং অফিসার আবু নূর মো. শামছুজ্জামান এ তথ্য জানিয়েছেন।

দুর্নীতির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হওয়ায় সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সাবেক বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। তার প্রতিদ্বন্দ্বি জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক সাংসদ রুমানা মাহমুদ ও আওয়ামী লীগের বর্তমান সংসদ সদস্য জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডা. মো. হাবিবে মিল্লাত মুন্নার মনোনয়ন বৈধ হয়েছে।

ঋণ খেলাপির দায়ে সিরাজগঞ্জ-৫ (বেলকুচি-চৌহালী) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী মঞ্জুর কাদেরের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। একই সঙ্গে পদত্যাগপত্র গৃহীত না হওয়ায় চৌহালী উপজেলা চেয়ারম্যান মেজর (অব.) আব্দুল্লাহ আল মামুনের মনোনয়নপত্রও বাতিল করা হয়। তাদের প্রতিদ্বন্দ্বি কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-প্রচার সম্পাদক আমিরুল ইসলাম আলীম, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি রাকিবুল করিম খান পাপ্পু ও আওয়ামী লীগের মন্ডল গ্রুপের চেয়ারম্যান বর্তমান সাংসদ মজিদ মন্ডলের ছেলে শিল্পপাত মমিন মন্ডেলের মনোনয়ন বৈধ হয়েছে।

এছাড়া পদত্যাগপত্র গৃহীত না হওয়ায় সিরাজগঞ্জ-৩ (রায়গঞ্জ-তাড়াশ) আসনের রায়গঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ভিপি আইনুল হকের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। তার প্রতিদ্বন্দ্বি বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুল মান্নান তালুকদার ও আওয়ামী লীগের ডা. আব্দুল আজিজ।

হলফনামায় স্বাক্ষর না থাকায় সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির গ্রাম সরকার বিষয়ক সহ-সম্পাদক সাইফুল ইসলাম শিশিরের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। তার প্রতিদ্বন্দ্বি বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুল মান্নান তালুকদার ও আওয়ামী লীগের ডা. আব্দুল আজিজ।

অপরদিকে আওয়ামী লীগের প্রসিডিয়াম সদস্য ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমসহ ৬টি আসনেই আওয়ামী লীগ প্রার্থীদের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা আবু নূর মো. শামছুজ্জামান জানান, দুর্নীতির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হওয়ায় ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর, ঋণ খেলাপির দায়ে মঞ্জুর কাদের, পদত্যাগপত্র গৃহীত না হওয়ায় উপজেলা চেয়ারম্যান আইনুল হক ও আব্দুল্লাহ আল মামুনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া হলফনামায় স্বাক্ষর না থাকা, ব্যাংক ঋণ ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর ১০ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর জালিয়াতি থাকার অভিযোগে অন্যান্য প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।

ইউসুফ দেওয়ান রাজু/আরএস

আরও পড়ুন