বিএনপিকে উসকানি দিয়ে লাভ নেই : মিনু
বিএনপিকে সহিংসতার উসকানি দেয়ার অভিযোগ করে দলটির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, আমাদের উসকানি দিয়ে কোনো লাভ নেই।
শনিবার রাজশাহী-২ (সদর) আসনে নির্বাচনী প্রচারণায় নেমে এ অভিযোগ করেন মিনু। তিনি ২০ দলীয় জোট ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী হিসেবে ধানের শীষ প্রতীকে ভোটের মাঠে রয়েছেন।
সর্বশেষ অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনের সংসদ সদস্য হন মিনু। এর আগে টানা সতেরো বছর তিনি রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ছিলেন। নবম সংসদ নির্বাচনে তাকে হারিয়ে নৌকার প্রার্থী হয়ে প্রথমবার সংসদ সদস্য হন মহাজোটের প্রার্থী ফজলে হোসেন বাদশা।

এরপর দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। এবারও নৌকা প্রতীকে ভোটের লড়াইয়ে রয়েছে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক বাদশা।
মিনু অভিযোগ করেন, সরকার সমর্থকরা সর্বদা তারা বিএনপিকে সহিংসতার উসকানি দিচ্ছে। কিন্তু তাদের জেনে রাখা দরকার, বিএনপি সন্ত্রাসী দল নয়। বিএনপি দেশের উন্নয়ন ও শান্তি চায়। বিএনপির কাছে এ নির্বাচন আন্দোলন।

বিএনপি সরকারের পাতা ফাঁদে কোনোভাবেই পা রাখবে না। তারা বিএনপির বিজয় ছিনিয়ে নিতে পারবে না। এ সময় নেতাকর্মীদের ধৈর্য ধরে নির্বাচনে থাকার আহ্বান জানান মিনু।
তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচন কমিশন সরকারের আজ্ঞাবহ। এখন পর্যন্ত লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করতে ব্যর্থ এ কমিশন। সরকার দলীয় ক্যাডাররা ধানের শীষের অফিস ভাঙচুর, পোস্টার, লিফলেট ও ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলছে। গণসংযোগে বাধা প্রদান করছে। কর্মীদের মারধর করছে। কিন্তু নির্বাচন কমিশন তা দেখতে পাচ্ছে না।

শনিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত নগরীর ১২ ও ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করেন মিজানুর রহমান মিনু। প্রচারণায় তার সময়কার বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের কথা তুলে ধরে নগরবাসীর কাছে ভোট প্রার্থনা করেন।
এ সমসয় তার সঙ্গে ছিলেন- নগর বিএনপি সভাপতি সাবেক সিটি মেয়র মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, নগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি নজরুল হুদা, সাংগঠনিক সম্পাদক আসলাম সরকার, বোয়ালিয়া থানা বিএনপির সভাপতি সাইদুর রহমান পিন্টু, সাধারণ সম্পাদক রবিউল আলম মিলু, নগর যুবদলের সাবেক সভাপতি বিএনপি নেতা ওয়ালিউল হক রানা, নগর যুবদলের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ সুইট, সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান রিটন, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি জাকির হোসেন রিমন ও সাধারণ সম্পাদক আবেদুর রেজা রিপন প্রমুখ।
ফেরদৌস সিদ্দিকী/এএম/জেআইএম