ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

আত্মসমর্পণের পরও থামেনি দস্যুতা

জেলা প্রতিনিধি | কক্সবাজার | প্রকাশিত: ০৯:২৬ পিএম, ০৭ জানুয়ারি ২০১৯

আড়াইমাস আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও র্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদের কাছে কক্সবাজারের মহেশখালীর ৬টি জলদস্যু বাহিনীর ৪৩ সদস্য আত্মসমর্পণ করেছিলেন।

এতে সবাই আশা করেছিলেন এখন থেকে জলদস্যুতা কমবে। কিন্তু সে আশা পূরণ হয়নি। এত সংখ্যক জলদস্যু আত্মসমর্পণের পরও থামেনি সাগরে জলদস্যুতা। রোববার রাতে সাগর থেকে মাছ আহরণ করে ফেরার পথে ৭টি ফিশিং ট্রলার ডাকাতির শিকার হয়েছে।

বঙ্গোপসাগরের মহেশখালীর সোনাদিয়া চ্যানেলে এসব মাছ ধরা ট্রলার ডাকাতির শিকার হয়। এ ঘটনায় ২৪ জেলে আহত এবং প্রায় ৩০ লাখ টাকার মাছ ও অন্যান্য মাল লুট হয়েছে বলে দাবি করেন ক্ষতিগ্রস্ত ট্রলারের মালিকরা।

সোমবার বিষয়টি মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) লিখিতভাবে জানিয়েছে মহেশখালী ট্রলার মালিক সমিতির নেতারা।

মহেশখালী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি জালাল আহমদ বলেন, রোববার রাত ১১টায় সাগর থেকে মাছ ধরে মহেশখালী উপকূলে ফেরার পথে মহেশখালী চ্যানেলে পৌঁছালে অজ্ঞাত ২০-৩০ জন জলদস্যু অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় একে একে ৭টি ফিশিং ট্রলারে থাকা মাঝিদেরকে মারধর করে প্রায় ২৪ জেলেকে আহত করে। আহতরা কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাদের মধ্যে এক মাঝির অবস্থা গুরুতর।

তিনি আরও বলেন, আব্দুল মোনাফের মালিকানাধীন এফবি শাহেদ, মোহাম্মদ রফিকের মালিকানাধীন এফবি রাফিয়া মণি, সালা উদ্দিনের মালিকানাধীন এফবি আল্লাহর দান, রকিব উল্লাহর মালিকানাধীন এফবি ফয়সাল, সিরাজ উল্লাহর মালিকানাধীন এফবি আল্লাহর দান, গিয়াস উদ্দিনের মালিকানাধীন এফবি মায়ের দোয়া ট্রলারগুলো ডাকাতির শিকার হয়। এর মধ্যে ৬টি ট্রলার মহেশখালী পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ড এলাকার বাসিন্দারের এবং এফবি মায়ের দোয়া মোহাম্মদপুর তেলীপাড়া ছোট মহেশখালীর নুরুল আলম মেম্বারের।

এ বিষয়ে মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জামিরুল ইসলাম বলেন, ট্রলার মালিকরা আমার সঙ্গে দেখা করে ডাকাতির বিষয়টি লিখিতভাবে অবহিত করেছেন। বিষয়টি দেখার জন্য আমি পুলিশ ও র্যাবকে দায়িত্ব দিয়েছি।

তবে মহেশখালী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রভাষ চন্দ্র ধর বলেন, সাগরে ডাকাতি হওয়ার কোনো খবর আমি শুনিনি। খবর নিয়ে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সায়ীদ আলমগীর/এএম/আরআইপি

আরও পড়ুন