আলমগীরকে হত্যার মিশনে ছিল ২০ জন
নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগে মাদক ব্যবসা নিয়ে বিরোধের জের ধরে আলমগীর হোসেন (৩০) নামে যুবককে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। তাকে হত্যার কিলিং মিশনে জড়িত ছিল ২০ জন। যার মধ্যে প্রত্যক্ষভাবে অংশ নিয়েছিল ৫ জন এবং আশেপাশের এলাকায় পাহারায় ছিল ১৫ জন।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে কিলিং মিশনে প্রত্যক্ষভাবে অংশ নেয়া দুই ঘাতক হিটলার রায়হান ও পাভেল।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশের এসআই সাফিউল আলম জানান, গত ২৭ জানুয়ারি রাতে শহরের দেওভোগ পানির ট্যাংকি এলাকায় মাদক ব্যবসা নিয়ে দ্বন্দ্বের জের ধরে আলমগীরকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। নিহত আলমগীর দেওভোগ মাদরাসা এলাকার নুরু মিয়ার বাড়িতে ভাড়া থাকতো। আর আলমগীর মুন্সিগঞ্জের টঙ্গিবাড়ি থানার দশলং এলাকার লাল মিয়ার ছেলে।
ওই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের বড় ভাই বাদী হয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করে। পরে অভিযান চালিয়ে পশ্চিম দেওভোগ বাঁশমুলী এলাকা থেকে হিটলার রায় ও পাভেলকে গ্রেফতার করা হয়।
গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে তারা। আদালতকে তারা জানিয়েছে, মাদক ব্যবসা নিয়ে দ্বন্দ্বের জের ধরে আলমগীরকে কুপিয়ে হত্যা করে। কিলিং মিশনে প্রত্যক্ষভাবে অংশ নিয়েছিল হিটলার রায়হান ও পাভেলসহ ৫ জন। এছাড়া আশেপাশে পাহারায় ছিল আরও ১৫ জন।
তিনি আরও জানান, বাকি আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান চলছে।
শাহাদাত/এমএএস/এমকেএইচ
আরও পড়ুন
সর্বশেষ - দেশজুড়ে
- ১ ফুটবল খেলা মাইকিং নিয়ে ৪ গ্রামবাসীর মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত শতাধিক
- ২ সিজারের সময় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে প্রসূতির মৃত্যু, ক্লিনিকে হামলা-ভাঙচুর
- ৩ ১৫০০ থেকে ৩০০ টাকায় নেমেছে মোটরসাইকেল চালকদের আয়
- ৪ সচেতনতার অভাব ও সিস্টেম দুর্বলতায় হামের বিস্তার
- ৫ চাঁদাবাজিতে বাধা, ছাত্রদল নেতার বাড়িতে নিজ দলের নেতাকর্মীদের আগুন