ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

বন কর্মকর্তার কাণ্ড

প্রকাশিত: ১০:৩৪ এএম, ২৭ আগস্ট ২০১৫

লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার শান্তিরহাট বাজারে সামাজিক বনায়নের ৫০-৬০টি বিভিন্ন প্রজাতির সরকারি গাছ কর্তন করা হয়েছে। উপজেলা ভারপ্রাপ্ত বন কর্মকর্তা আবদুল হামিদ খান ওই গাছগুলো বিক্রি করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে ক্ষুদ্ধ হয়ে উঠেছেন ওই এলাকার লোকজন।

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার দুপুরে লক্ষ্মীপুর-নোয়াখালী বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছে স্থানীয় এক ইউপি সদস্য। অভিযোগে ওই বন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়।

অভিযোগে জানা গেছে, ১৯৯৬ সালে মেঘনা নদীর উপকূল কমলনগর উপজেলার চর মার্টিন ইউনিয়নের বলিরপুল থেকে চর রমনী মোহন সীমানা পর্যন্ত সাত কিলোমিটার এলাকায় সামাজিক বনায়ন তৈরি করে সরকার। গত ২৪ থেকে ২৫ আগস্ট স্থানীয় আবদুল মতিন ও অজি উল্লাহর সহযোগিতায় লোকজন নিয়ে ওই এলাকার ৫০-৬০টি আকাশ মনি, মেহগনিসহ কয়েক প্রজাতির গাছ কেটে নেন উপজেলার ভারপ্রাপ্ত বন কর্মকর্তা আবদুল হামিদ খান। পরে তিনি গাছগুলো শান্তিরহাট বাজারে অজি উল্লার মালিকাধীন মেসার্স আল আমিন স’মিলে বিক্রি করে তা আত্মসাত করেন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আনিসুর রহমান হৃদয় জাগো নিউজকে জানান, বন কর্মকর্তা রক্ষক হয়েও ভক্ষক হিসেবে কাজ করছেন। তিনি গত দুই বছর থেকে নদী ভাঙন কবলিত ওই এলাকার সামাজিক বনায়ন উজাড় করে ৭-৮ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন।

এ ব্যাপারে কমলনগর উপজেলা বন কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) আবদুল হামিদ খান জাগো নিউজকে বলেন, সম্প্রতি ঝড়ে কিছু গাছ ভেঙে উপড়ে পড়েছে। ওই এলাকার সুফলভোগীদের গাছগুলো কেটে স্তুপ করে রাখার জন্য আমি বলেছি। গাছ আমি বিক্রি করিনি। কর্তন করা গাছগুলো কোথায় রাখা হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি তা জানি না।

নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিভাগীয় বন কর্মকর্তা সানাহ উল্লাহ পাটোয়ারী জাগো নিউজকে জানান, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কাজল কায়েস/এমজেড/এমআরআই