ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

গাইবান্ধার ৫ উপজেলায় আ.লীগের প্রতিদ্বন্দ্বী আ.লীগ

জেলা প্রতিনিধি | গাইবান্ধা | প্রকাশিত: ০৪:০৯ পিএম, ০৯ মার্চ ২০১৯

আগামী ১৮ মার্চ অনুষ্ঠিতব্য দ্বিতীয় ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে গাইবান্ধার ৬টি উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী ২৩ জনের মধ্যে ৫টি উপজেলায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছে আটজন। এসব প্রার্থী স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এসব বিদ্রোহী প্রার্থীদের নিয়ে আওয়ামী লীগ কিছুটা দুশ্চিন্তায় রয়েছে। একমাত্র পলাশবাড়ি উপজেলায় আওয়ামী লীগের কোনো বিদ্রোহী প্রার্থী নেই।

গাইবান্ধা সদর উপজেলায় আওয়ামী লীগের মনোনয়ন দেয়া হয়েছে সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পিয়ারুল ইসলামকে। এ উপজেলায় বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য শাহ সারোয়ার কবীর। বাংলাদেশের প্রথম স্পিকার শাহ আব্দুল হামিদের নাতি হিসেবে শাহ সারোয়ার কবীর নির্বাচনে অনেকটা গুরুত্ব পাচ্ছেন। ফলে আওয়ামী লীগের মূল প্রার্থী হিসাব-নিকাশ করে এগুচ্ছেন বলে জানা গেছে।

এদিকে সাদুল্যাপুর উপজেলায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাহারিয়া খাঁন বিপ্লব। এ উপজেলায় বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আবু সাদাত শাহ মো. ফজলুল হক রানা এবং জেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক মতিয়ার রহমান সরকার।

গোবিন্দগঞ্জে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আব্দুল লতিফ প্রধানের বিপরীতে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ফেরদৌস আলম রাজু, মুকিতুর রহমান রাফি ও উপজেলা শ্রমিক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদ চৌধুরী।

ফুলছড়িতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জিএম সেলিম পারভেজ এবার আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন নিয়ে নির্বাচনের মাঠে রয়েছেন। এ উপজেলায় বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান।
সাঘাটা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এসএম সামশীল আরেফিন টিটুকে দলীয় মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। এ উপজেলায় বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর কবির।

বিদ্রোহী প্রার্থীদের বিষয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক বলেন, আওয়ামী লীগের কোনো বিদ্রোহী প্রার্থী নেই। যারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তারা স্বতন্ত্র প্রার্থী। তারা যাতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে আসেন সে ব্যাপারে পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।

জাহিদ খন্দকার/আরএআর/এমকেএইচ

আরও পড়ুন