অজ্ঞান করার উদ্দেশ্যে মাথায় আঘাত করা হয় ওয়াকিবের
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা সরকারি কলেজের বিএ ২য় বর্ষের ছাত্র ওয়াকিব শিকদারের (২৪) লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ওয়াকিব পড়ালেখার পাশাপাশি আলফাডাঙ্গার নাজমা মেডিকেয়ার ক্লিনিকের ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি পার্শ্ববর্তী বোয়ালমারী উপজেলার দেউলি গ্রামের জলিল শিকদারের ছেলে।
গত মঙ্গলবার (১৯ মার্চ) রাতে বাড়ি থেকে কয়েকজন ডেকে নিয়ে যায় ওয়াকিবকে। তারপর থেকে নিখোঁজ ছিলেন তিনি। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে বিষয়টি পুলিশকে জানালে বৃহস্পতিবার (২১ মার্চ) সন্ধ্যায় তার গ্রামের বিল্লাল নামের এক বন্ধুকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে।
জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে তার দেয়া তথ্য অনুযায়ী বৃহস্পতিবার রাত ২টার দিকে আলফাডাঙ্গা উপজেলার মিঠাপুর চরপাড়া বারাশিয়া নদী সংলগ্ন একটি ঝোঁপ থেকে ওয়াকিবের লাশ উদ্ধার করা হয়।
আলফাডাঙ্গা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম জানান, বিল্লালের দেয়া তথ্য অনুযায়ী লাশ উদ্ধার ও ঘটনার সঙ্গে জড়িত ইমন শেখ এবং লাকিব নামের আরও দুজনকে আটক করা হয়েছে। সবার বাড়ি ওই একই গ্রামে।
ওসি জানান, ওয়াকিবকে অপহরণ করে টাকা নেয়ার উদ্দেশ্য ছিল খুনিদের। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানিয়েছে অজ্ঞান করার উদ্দেশ্যে ওয়াকিবকে পেছন থেকে মাথায় আঘাত করলে ওয়াকিব ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে লাশ ঝোঁপে ফেলে দিয়ে পালিয়ে যায়। নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় ওয়াকিবের ভাই ওয়ামিন সিকদার বাদী হয়ে বিল্লালসহ অজ্ঞাত কয়েকজনের নামে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
বি কে সিকদার সজল/এমএএস/এমকেএইচ
আরও পড়ুন
সর্বশেষ - দেশজুড়ে
- ১ আ. লীগের নিরপরাধ কর্মীরা ১০ দলীয় জোটে আসতে পারবেন: হান্নান মাসউদ
- ২ দাঁড়িপাল্লাকে জয়লাভ করানো সবার ঈমানী দায়িত্ব: শাহরিয়ার কবির
- ৩ দক্ষিণ আফ্রিকায় ‘সন্ত্রাসীদের’ গুলিতে মিরসরাইয়ের টিপু নিহত
- ৪ বিএনপি প্রার্থী ফজলুর রহমানের জনসভায় চেয়ার ছোড়াছুড়ি, আহত ২০
- ৫ ৮০% মুসলমানের এই দেশে কোনো বিধর্মী সংসদ প্রতিনিধি থাকতে পারে না