ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

সরকারি চাকরিজীবী জামাইয়ের প্রভাবে নিরাপত্তাহীনতায় শ্বশুরের পরিবার

জেলা প্রতিনিধি | যশোর | প্রকাশিত: ০৯:৩৭ পিএম, ০৫ মে ২০১৯

যশোরের বাঘারপাড়ার উপজেলার পান্তাপাড়া গ্রামের গৃহবধূ জিনিয়া ইয়াসমিন তুলি হত্যার বিচার চাওয়ায় হুমকির মুখে পড়েছেন তার বাবা-মা। ‘হত্যা পরিকল্পনাকারী’ তুলির স্বামী আটক না হওয়ায় সে এখন হুমকি-ধামকি দিচ্ছে। রোববার দুপুরে প্রেসক্লাব যশোরে এসে সংবাদ সম্মেলন করে এমন অভিযোগ করেন তুলির বাবা শহিদুল ইসলাম।

সংবাদ সম্মেলনে শহিদুল জানান, ২০১১ সালে ৮ জুলাই বাঘারপাড়া উপজেলার পান্তাপাড়া গ্রামের ভ্যানচালক মোশারফ হোসেনের ছেলে জুলফিকারের সঙ্গে তার মেয়ে তুলির বিয়ে হয়। তাদের সংসারে দুটি সন্তান রয়েছে। ২০১২ সালে বিয়ের তথ্য গোপন করে জুলফিকার সরকারি একটি বাহিনীতে চাকরি নেয়। চাকরি পাওয়ার পর সে তুলিকে নিয়ে ঢাকার বালুঘাটে থাকতো।

এরই মধ্যে গোপনে জুলফিকার আরও একটি বিয়ে করে। এ বিয়ের আগে ও পরে যৌতুকের দাবিতে সে তুলির ওপর নানা অত্যাচার-নির্যাতন করতো। এক পর্যায়ে তুলিকে তার দুই সন্তানসহ গ্রামের বাড়ি বাঘারপাড়ার পান্তাপাড়ায় পাঠিয়ে দেয়। সেখানে অত্যাচার নির্যাতনের এক পর্যায়ে গত ১৩ এপ্রিল কুপিয়ে জখম করে দেবর শহিদুলসহ তার শাশুড়ি ফরিদা ও ননদ সুরাইয়া। উদ্ধার করে হাসপাতালে আনার পর তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় শহিদুল আটক হলেও পুলিশ অন্যদের আটক করতে পারেনি।

এদিকে, তুলি হত্যার বিচার চাওয়ায় তার বাবা শহিদুলসহ পরিবারের সদস্যরা হুমকির মুখে রয়েছেন। শহিদুল ইসলাম অভিযোগ করেন, জুলফিকার সরকারি একটি বাহিনীতে চাকরি করায় সে প্রতিনিয়ত হুমকি-ধামকি দিচ্ছে। এজন্য তুলির দুই শিশু সন্তানসহ গোটা পরিবার নিয়ে তিনি নিরাপত্তাহীন জীবনযাপন করছেন। তিনি গোটা পরিবারের নিরাপত্তা এবং তুলি হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী জুলফিকারের বিচার দাবি করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন তুলি মা ছকিনা বেগম, বড় ভাই নূর মোহাম্মদ, ছোট ভাই নূর আলম, চাচাতো ভাই শরিফুল ইসলাম প্রমুখ।

মিলন রহমান/এমএএস/জেআইএম

আরও পড়ুন