ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

বগুড়ায় যানবাহনে একদল ডাকাতের প্রস্তুতি ভেস্তে দিল পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক | বগুড়া | প্রকাশিত: ০৪:০৭ পিএম, ৩১ মে ২০১৯

বগুড়ায় ডিবি পুলিশের সঙ্গে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সদস্যদের গুলি বিনিময় হয়েছে। শুক্রবার ভোররাতে এ ঘটনায় দুই ডাকাত গুলিবিদ্ধ এবং তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ ডাকাত দলের ছয় সদস্যকে আটক এবং আগ্নেয়াস্ত্রসহ ডাকাতি করার সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে।

বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার মোকামতলা-জয়পুরহাট সড়কে আমতলী ব্রিজের পূর্ব পার্শ্বে এ ঘটনা ঘটে।

জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসলাম আলী জানান, বৃহস্পতিবার রাতে সংবাদ আসে মোকামতলা-জয়পুরহাট সড়কে আমতলী ব্রিজের পূর্বপার্শ্বে বেশ কয়েকজন অপরিচিত ব্যক্তি সন্দেহজনক ঘোরাফেরা করছে। এরা ওই সড়কে চলাচলরত যানবাহনের গতিবিধি লক্ষ্য করছে। এ সংবাদ পেয়ে গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল সেখানে পৌঁছলে কিছু বুঝে ওঠার আগেই অপরিচিত ব্যক্তিরা পুশিকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া শুরু করে।

এ সময় পুলিশও পাল্টা গুলি ছুড়লে দুইজনের পায়ে গুলি লাগে। পরে তারা পুলিশের হাতে ধরা পড়ে। অন্যরা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে গোয়েন্দা পুলিশের সদস্যরা তাদের পিছু ধাওয়া করে আরও চারজনকে আটক করে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে ১টি ওয়ান শুটার গান, ২ রাউন্ড গুলি, ২টি চাপাতি, ২টি গ্রিল কাটার, ১টি হাতুড়ি, প্লাস্টিকের রশি, স্কচ টেপ ও গামছা উদ্ধার করে।

আটকরা হলেন, বগুড়ার কাহালু থানার ভুগইল পশ্চিমপাড়ার আবির হোসেনের ছেলে রমজান আলী (৪৫), তার ছোট ভাই আব্দুল করিম (৩৭), একই গ্রামের সামছুর ছেলে মুক্তার হোসেন (২৮), বগুড়া সদরের নামুজা পাল্লা গ্রামের শাজাহান আলীর ছেলে ইউছুব আলী (৩৬), শিবগঞ্জ উপজেলার সাদুল্যাপুর গ্রামের আমজাদ হোসেনের ছেলে আব্দুর রাজ্জাক (৩৮) এবং গাইবান্ধার পলাশবাড়ি উপজেলার ফলিয়া গ্রামের মোকছেদুর রহমানের ছেলে রায়হান কবির (২৮)।

আটকদের মধ্যে রমজান আলী ও আব্দুর রাজ্জাক গুলিবিদ্ধ অবস্থায় বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ডাকাত দলের সদস্যদের হামলায় আহত গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) রুহুল আমিন, কনস্টেবল সেলিম হোসেন এবং রাহুল পুলিশ লাইন্স হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।

বগুড়া গোয়েন্দা পুলিশের ওসি আসলাম আলী বলেন, আটকদের মধ্যে গুলিবিদ্ধ রমজানের নামে বগুড়া, নওগাঁ ও দিনাজপুর জেলায় হত্যা ও ডাকাতির অভিযোগে ১৪টি, আব্দুর রাজ্জাকের নামে ৬টি এবং করিমের নামে ৪টি মামলা রয়েছে। এরা ঈদের আগে মহাসড়কে বিভিন্ন যানবাহনে ডাকাতি করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পনা করেছিল।

এরই ধারাবাহিকতায় ডাকাতি করার উদ্দেশ্যে আমতলী ব্রিজের পূর্বপার্শ্বে তারা অবস্থান নিয়ে অপেক্ষায় ছিল। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা গুলি ছোড়া শুরু করে। এ ব্যাপারে শিবগঞ্জ থানায় মামলা করা হয়েছে।

লিমন বাসার/এমএএস/পিআর

আরও পড়ুন